প্রতিদিনের ডেস্ক
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র আগামী শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ওমানে বৈঠকে বসতে যাচ্ছে। এই বৈঠকে ওয়াশিংটনের সিদ্ধান্তে আদৌ কতটা প্রভাব ফেলতে পারবে তেল আবিব, তা নিয়ে সন্দিহান ইসরাইল। ইসরাইলি রাজনৈতিক বিশ্লেষক ওরি গোল্ডবার্গ বলেন, ‘ইসরাইলের বিরোধীরা অভিযোগ করছে, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে নতি স্বীকার করে গাজায় যুদ্ধ খুব তাড়াতাড়ি শেষ করে দিয়েছেন। ইসরাইলকে লেবানন থেকে কার্যত তাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, সিরিয়ায় কাজ করার স্বাধীনতাও বন্ধ হয়ে গেছে। ইসরাইলের হাতে এখন যা আছে, তা হলো ফিলিস্তিনিদের হত্যা করার স্বাধীনতা। আর কাতার, তুরস্ক ও মিশর এখন ইসরাইলের আপত্তি সত্ত্বেও গাজার বিষয়ে যুক্ত হওয়ায়, সেটুকুও বেশিদিন আর থাকবে না। ইরানে সম্ভাব্য হামলা নিয়ে নেতানিয়াহুসহ ইসরাইলের শীর্ষ ব্যক্তিরা সরাসরি ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইসরাইলের আঞ্চলিক ঘটনাপ্রবাহকে নিজেদের মতো করে গড়ে নেওয়ার ক্ষমতা যে কমে গেছে, তা ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে। গাজায় দুই বছর ধরে চলা গণহত্যায় ইসরাইলের হাতে ৭১ হাজার ৮০০র বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র এখন নেতৃত্বে চলে এসেছে বলেই মনে হচ্ছে। গাজার প্রশাসন তদারকির বোর্ডে তুরস্ক ও কাতারকে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে ইসরাইলের আপত্তিও অগ্রাহ্য করেছে ওয়াশিংটন।

