৩রা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ  । ১৬ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ 

নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারী বাইকারদের অতর্কিত হামলা, নিহত ৩২

প্রতিদিনের ডেস্ক:
নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিমে তিনটি গ্রামে মোটরসাইকেলে আসা বন্দুকধারীরা অতর্কিতে হামলা চালিয়েছে। এতে অন্তত কয়েক ডজন ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। খবর বিবিসির।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর, নাইজার অঙ্গরাজ্যে সশস্ত্র ব্যক্তিরা গুলি করে বা গলা কেটে হত্যা করেছে। এ ছাড়া হামলাকারীরা বাড়িঘরে আগুন দিয়েছে, ‘অজানা’ সংখ্যক মানুষকে অপহরণ করেছে। শনিবার ভোর এসব হামলা হয়েছে। ঘটনাস্থলের কাছাকাছি স্থানে চলতি মাসের শুরুতে একই ধরনের হামলায় শতাধিক ব্যক্তি নিহত হন। নিহতরা ‘সন্দেহভাজন জিহাদি’ ছিলেন। বিবিসি বলছে, বহু বছর ধরে ‘দস্যু’ নামে পরিচিত সশস্ত্র অপরাধী চক্রগুলো নাইজেরিয়ায় হামলা ও অপহরণ চালিয়ে আসছে। তবে সম্প্রতি দেশটির পশ্চিম ও মধ্যাঞ্চলে এ ধরনের ঘটনার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।গতকাল ভোরের দিকে দস্যুরা সর্বশেষ তুঙ্গা-মাকেরি গ্রামে হানা দেয়। নাইজার অঙ্গরাজ্য পুলিশের মুখপাত্র ওয়াসিউ আবিওদুন নিশ্চিত করেছেন যে তুঙ্গা-মাকেরিতে ছয়জন নিহত হয়েছে। তিনি বলেন, কিছু বাড়িঘরেও আগুন দেওয়া হয়েছে এবং কতজন অপহরণের শিকার হয়েছেন, সেই সংখ্যা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।বিবিসি জানিয়েছে, হামলার শিকার আরেক গ্রাম কনকোসোতেই বেশিরভাগ হত্যার ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রায় সব বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এবং চারজন নারীকে অপহরণ করা হয়েছে। এ ছাড়া কনকোসোতে হামলার পর দস্যুরা পিসা গ্রামে গিয়ে একটি পুলিশ স্টেশনে আগুন দেয় এবং একজনকে হত্যা করে বলে তথ্য দিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। ‘অভ্যুত্থান ব্যর্থ করতে’ বেনিনে সৈন্য ও যুদ্ধবিমান পাঠালো নাইজেরিয়া‘অভ্যুত্থান ব্যর্থ করতে’ বেনিনে সৈন্য ও যুদ্ধবিমান পাঠালো নাইজেরিয়া রয়টার্স জানিয়েছে, তিনটি গ্রাম মিলিয়ে নিহতের সংখ্যা ৩২ জনের মতো। আরেক বার্তাসংস্থা জানিয়েছে নিহতের সংখ্যা অন্তত ৪৬। আশপাশের অন্যান্য গ্রামে সম্ভাব্য হামলার বিস্তারিত এখনো স্পষ্ট নয় এবং বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। একটি নিরাপত্তা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দস্যুরা ৪১টি মোটরসাইকেলে করে এসেছিল, প্রতিটিতে দুই বা তিনজন করে ছিল।

আরো দেখুন

Advertisment

জনপ্রিয়