প্রতিদিনের ডেস্ক
মাত্র ১৩৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৯ উইকেটের দাপুটে জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। টানা তৃতীয় জয়ের দেখা পেয়ে প্রথম দল হিসেবে সুপার এইটে পা রাখলো শাই হোপের দল। আর টানা ৩ হারে বিদায় নিশ্চিত হয়েছে নেপালের। উদ্বোধনী জুটিতে ৪৩ রান যোগ করেন ব্র্যান্ডন কিং ও অধিনায়ক শাই হোপ। নন্দন যাদবের বলে কিং আউট হন ২২ রান করে। এই একটি উইকেটও নিতে পেরেছে নেপাল। এরপর শাই হোপ ও শিমরন হেটমায়ার ৯১ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে দলকে পৌঁছে দেন জয়ের বন্দরে। অর্ধশতকের দেখা পেয়েছেন হোপ। অপরাজিত ছিলেন ৬১ রানে। ইনিংসটি সাজান ৫ চার ও ৩ ছক্কায়। হেটমায়ার ৪ চার ও দুই ছক্কায় করেন অপরাজিত ৪৬ রান। এর আগে, নেপালকে ব্যাটিংয়ে পাঠালেও বেশি রান করতে দেয়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জেসন হোল্ডারের ৪ উইকেট ও বাকি বোলারদের সম্মিলিত পারফরম্যান্সে নির্ধারিত ২০ ওভার ব্যাটিং করে নেপালের বোর্ডে রান জমা হয় ৮ উইকেটে ১৩৩। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ায়রি) মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে টস হের উইন্ডিজের আমন্ত্রণে আগে ব্যাটিং করে নেপাল। তবে শুরু থেকেই বিপদ পিছু নেয় তাদের। ৫৪ রানের একটি জুটি ছাড়া আরকোনো উল্লেখ করার মতো জুটি হয়নি। যা কিনা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সপ্তম উইকেটে নেপালের সর্বোচ্চ জুটির রেকর্ড। প্রথম ওভার থেকেই উইন্ডিজ বোলাররা চাপে ফেলে দেয় নেপালকে। পঞ্চম বলেই কুশল ভূর্তেল ১ রান করে সাজঘরে ফেরেন। এরপর ১৭ রানেই রোহিত পাওদেল (৫) ও আসিফ শেখ (১১) আউট হয়ে ফিরলে ৩ উইকেট হারায় নেপাল। আরিফ শেখও ভালোকিছু করতে পারেননি। ২ রান করে আউট হলে ২৩ রানে পতন হয় চতুর্থ উইকেটের। লোকেশ বাম ওয়ানডে মেজাজে ১৩ রান করে আউট হলে পঞ্চম উইকেট মাত্র ৪৬ রানে হারায় নেপাল। ১০০ রানের আগে গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়। একপ্রান্ত আগলে ধরে রেখেছিলেন দিপেন্দ্র সিং আইরে। তার সঙ্গে ২৩ রানের ক্ষুদ্র জুটি গড়ে শুলসান ঝা ফিরে গেলে ৭৩ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারিয়ে বড় সংগ্রহের আর কোনো স্বপ্নই টিকে থাকেনি নেপালের। এরপরও সম্পাল কামিকে নিয়ে ৫৪ রানের জুটি গড়ে লড়াকু পুঁজির স্বপ্ন দেখান দিপেন্দ্র। ৪৭ বলে ৫৮ রান করেন দিপেন্দ্র সমান ৩টি করে চার ও ছক্কায়। তার বিদায়েই ভাঙে ইনিংসের সবচেয়ে বড় জুটিটি। ৭ উইকেটে ১২৭ রান করা নেপাল শেষ পর্যন্ত করতে পেরেছে ৮ উইকেটে ১৩৩। সম্পাল ১৫ বলে ২৫ রান করে অপরাজিত ছিলেন। উইন্ডিজের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট পেয়েছেন জেসন হোল্ডার। সমান একটি করে আকিল, ফোর্ড, শামার ও চেজের ঝুলিতে।

