অভয়নগর সংবাদদাতা
যশোরের অভয়নগর উপজেলায় সেই সাইফুলের বিরুদ্ধে আবারো গত ১২ এপ্রিল থানায় লিখিত অভিযোগ দিলো দুর-সম্পর্কের ভাগ্নী মনিরা বেগম (৪৫)। সে উপজেলার শ্রীধরপুর ইউনিয়নের পুড়াখালি গ্রামের কুবাত গাজীর স্ত্রী। অভিযোগ উঠেছে সাইফুলের বিরুদ্ধে বার বার অভিযোগ দেয়ার শর্ত কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি অভয়নগর থানা পুলিশ। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মনিরা বেগম পেশায় একজন গৃহিণী। মাহমুদা শাহারুনের বাড়ি ও তার বাড়ি পাশাপাশি হওয়ার সুবাদে সবুর মোড়লের ছেলে মোঃসাইফুল দুর-সম্পর্কের খালু শ্বশুর হয়। সেই সুযোগে সাইফুল তাকে দিয়ে কিস্তি তোলায়। সাইফুল শ্বশুরের রাইচ মিল চালাইতো রাইচ মিলের বৈদ্যুতিক বিল বাকি পড়িয়া মিল বন্ধ হয়ে যাবে কথা বলে কয়েক মাস আগে সমিতি থেকে নগদ ৭০ হাজার টাকা উঠিয়ে দেয়। পরে কিস্তি দিতে গড়িমসি করে। সেই কিস্তি খালা শাহারুন চালায়। সাইফুল তার খালার কাছ থেকে আরো বেশ কয়েক সমিতি ও সুদে টাকা তোলায়।জার কারনে কোন ভাবেই খালা কিস্তি চালাইতে পারছে না। সমিতির লোকজন এসে মনিরা বেগমকে কিস্তির জন্যে চাপ দেওয়া সহ মামলা করবে বলে যানিয়েছে। এই টাকা পরিশোধ না করে সাইফুল ভুক্তভোগীকে চরম বিপদে ফেলে পালিয়ে যায়। মনিরা বেগম জানান, সাইফুল আমার দুঃসম্পর্কের খালু শশুর আমাদের বাড়ি পাশাপাশি। সে আামকে বিপদের কথা বলে সমিতি থেকে লোন করায়। এবং আমার খালাকে দিয়ে সুদে ও সমিতির থেকে টাকা তুলে সে চম্পট দেয়। সাইফুল পালিয়ে যাওয়ার পরে জানতে পারি মেয়েদেরকে নানাভাবে ফুসলাইয়া বিবাহ করে তাহাদের কাছ থেকে টাকা পয়সা হাতিয়ে পালিয়ে যায়।এর আগেও একাধিক বিয়ে করার অভিযোগ সহ জুয়া খেলে ও নেশা করার অভিয়োগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। আমাকে দিয়ে কিস্তি তুলিয়ে বিপদে ফেলে দিয়েছে। সমিতির লোকজন আমাকে কিস্তির জন্যে চাপ দেওয়া সহ মামলা করার হুমকি দিয়েছে। আমি ও আমার খালা শাহারুন এখন চরম বিপদে রয়েছি। কি করবো কিছুই বুঝতে পারছি না। মাহামুদা শাহারুন জানান,সাইফুল আমাকে ও আমার ভাগ্নী কে সহ এর আগেও একাধিক নারীকে বিপদে ফেলেছে। সাইফুলের বিরুদ্ধে বার বার অভিযোগ দেয়ার শর্ত কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি অভয়নগর থানা পুলিশ। ওর একটা উপযুক্ত শাস্তির দাবী জানাই আইনের কাছে।
এবিষয়ে উপপরিদর্শ মোঃ আশরাফুল জানান, গত কাল শাহনাজ নামে ওই মহিলাটা ফোন করেছিলাম উনি ফোন ধরেননি। এছাড়াও তিনি বলেন অভিযোগে সাধারণত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নাই। যদি উনি বিজ্ঞ আদালতে প্রতারণা মামলা করলে সে ক্ষেত্রে তদন্ত করে একটা প্রতিবেদন দিতে পারি। এছাড়াও তিনি বলেন, মনিরা বেগমের অভিযোগের ব্যাপারে আমার জানা নেই।
এ বিষয়ে অভয়নগর থানার অফিসার ইনচার্জ এস এম নুরুজ্জামানের কাছে জানতে একাধিক জানতে তার মুঠোফোনে ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেন নি।

