৩০শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ  । ১৩ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ 

বিপুল চন্দ্র রায়ের কবিতা বিষাদ কাব্য এবং একাকিত্বের দহন

প্রতিদিনের ডেস্ক:
বিষাদ কাব্য
বিস্মৃতির অতল তলে অস্তিত্ব গেলে নিখিলে,
স্বপ্নগুলো ধুলোয় মেশে মহাকালের ওই মিছিলে।
বুকের বাম প্রকোষ্ঠে চলে বিষাদ-সিন্ধুর রণ,
নিঃসঙ্গতার করাল গ্রাসে পিষ্ট আজ এই মন।
নশ্বর এই রঙ্গমঞ্চে আমি ক্লান্ত এক সত্তা,
একাকিত্বের উপাখ্যানে বিষণ্ণ সব পাতা।
হে দুঃখ! তুমিই ধ্রুব, আদি-অন্তের বাস,
চিতার লেলিহান শিখায় তুমিই শেষ নিঃশ্বাস।
****
একাকিত্বের দহন
জঠর-জ্বালায় দগ্ধ প্রহর, রুদ্ধ ভাগ্যের দ্বার,
বয়ে চলেছি ক্লান্তিবিহীন অসহ্য ‘দুঃখের ভার’।
স্বার্থের টানে আবর্তিত এই জটিল যে সংসার,
অর্থের টানে ছিঁড়ে গেছে সব সখ্যতার চাদর।
অস্তিত্ব আজ অর্থহীন মোর, স্বপ্নরা সব রিক্ত,
বিমুখ সুহৃদ, চেনা মানুষের জীবন বড়ই তিক্ত।
নিষ্ফল এই হাহাকারে কে রাখবে মোর খোঁজ?
উপেক্ষা আর লাঞ্ছনা সয়ে গুমরে মরি রোজ।
নিভে গেছে আশার প্রদীপ, আঁধার জমেছে বুকে,
মরণই কি তবে দেবে মুক্তি পরম শান্তি-সুখে?
তবুও একাকী পথে হাঁটা বেলা ফুরাবার শেষে,
দীর্ঘশ্বাসটি মিশে রবে মহাকালের অনিমেষে।

আরো দেখুন

Advertisment

জনপ্রিয়