৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ  । ২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ 

পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে নানা কর্মসূচি, রাজ্যবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

প্রতিদিনের ডেস্ক:
যথাযোগ্য মর্যাদায় আজ ২০ জুন উদযাপিত হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ দিবস। রাজ্যে সরকার বদলের পরেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার। দিবসটি উপলক্ষে রাজ্যজুড়ে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছেপশ্চিমবঙ্গ সরকারের পাশাপাশি স্কুল, কলেজ, পুলিশ প্রশাসন, বিভিন্ন ক্লাব ও সামাজিক সংগঠন দিনটি উপলক্ষে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করেছে। এ বছরের পশ্চিমবঙ্গ দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘পশ্চিমবঙ্গ: ঐতিহ্য, ঐক্য ও উন্নয়ন’।দিবসের মূল অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে হুগলি জেলার তারকেশ্বরে। বিকালে ওই অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সহ রাজ্য সরকারের মন্ত্রী, সরকারি কর্মকর্তা, সাংসদ, বিধায়ক ও জনপ্রতিনিধিরা। পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাজ্যের মানুষকে শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, সাহিত্য, সংগীত, শিল্প, আধ্যাত্মিকতা, বিজ্ঞান, বাণিজ্য ও সমাজ সংস্কারসহ নানা ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গ ভারতের ইতিহাস ও জাতীয় চেতনাকে সমৃদ্ধ করেছে।তিনি আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে ২০ জুন একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। এই দিনেই পশ্চিমবঙ্গ ভারতের অংশ হিসেবে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছিল। এ ক্ষেত্রে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর অবদান উল্লেখ করে তিনি তার প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
মোদী বলেন, পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে।পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও দিবসটি উপলক্ষে রাজ্যবাসীকে শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, বহু দশক পর পশ্চিমবঙ্গ সৃষ্টির ঐতিহাসিক ঘটনাকে পূর্ণ স্বীকৃতি দিয়ে সরকারিভাবে পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন করা হচ্ছে। তিনি শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অবদান স্মরণ করে বলেন, তার দূরদর্শিতার কারণেই পশ্চিমবঙ্গের অস্তিত্ব রক্ষা সম্ভব হয়েছিল।দিবসটিকে স্মরণীয় করে তুলতে কলকাতায় গঙ্গা নদীতে বিশেষ আলোক ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। ‘বন্দে যোগম’ নামে এই আয়োজনের অংশ হিসেবে সন্ধ্যায় নদীর বুকে আলোকসজ্জা ও প্রযুক্তিনির্ভর পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া কলকাতার আকাশে তিন হাজার ড্রোনের মাধ্যমে বাংলা সংস্কৃতি ও যোগচর্চার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হবে।উল্লেখ্য, ১৯৪৭ সালের ২০ জুন তৎকালীন বাংলা আইনসভার সদস্যরা ভোটাভুটির মাধ্যমে বাংলা বিভাজনের পক্ষে এবং পাকিস্তানে অন্তর্ভুক্তির বিপক্ষে মত দেন। এর ফলে পশ্চিমবঙ্গ গঠনের পথ সুগম হয়।

আরো দেখুন

Advertisment

জনপ্রিয়