প্রতিদিনের ডেস্ক
কৈশোর থেকেই মায়ের হাত ধরে সংগীতের ভুবনে পথচলা শুরু করেন চট্টগ্রামের মেয়ে রুদ্রা দে। শতায়ু সংগীত নিকেতনের শিক্ষার্থী হিসেবে নেন প্রথম পাঠ।এরপর সুরের সাধনায় নিমগ্ন হয়ে নিজেকে তৈরি করতে উচ্চাঙ্গ ও ক্লাসিক্যাল সঙ্গীতে তালিম নেন অধ্যাপিকা মৃণালিণী চক্রবর্তীর কাছে। পাশাপাশি জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে সংগীতে চার বছরের শিক্ষা কোর্স কৃতিত্বের সাথে সম্পন্ন করেন।সর্বশেষ সুরের শ্রুতির জন্য নামকুড়োনো সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক উত্তম ঘোষের কাছে তালিম নিচ্ছেন উদীয়মান সঙ্গীতশিল্পী রুদ্রা।অ্যাকাডেমিক শিক্ষায় সরকারি সিটি কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী রুদ্রা সঙ্গীতকে ধারণ করেন মনে-প্রাণে।স্বপ্ন দেখেন সুরের আকাশে শুকতারা হওয়ার। সঙ্গীতের ভুবনের সুদীর্ঘ যাত্রাপথে পা বাড়িয়ে এরইমধ্যে তিনি প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন।নিজের সুরেলা কণ্ঠ আর অনন্য গায়কিতে মুগ্ধ করেছেন অগণিত শ্রোতাকে। মনোযোগ আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছেন প্রথিতযশা সঙ্গীতগুরুদের।
উচ্চাঙ্গ, নজরুল, আধুনিক ও দেশাত্মবোধকসহ সবধরনের গান নিজের কণ্ঠে ধারণ করার ঈর্ষণীয় ক্ষমতা আছে তার। সঙ্গীত পরিবেশনায় মুগ্ধতার পরিচয় দিয়ে নিজের ঝুলিতে ভরেছেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি ও সম্মাননা। এর মধ্যে ২০২১ সালে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি আয়োজিত নজরুল সঙ্গীত প্রতিযোগিতায় প্রথম এবং পরবর্তী বছর দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। ২০২২ সালে জেলা শিল্পকলা একাডেমি ও শতায়ু সঙ্গীত নিকেতন আয়োজিত উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত প্রতিযোগিতায় এ গ্রেড লাভ করে কৃতিত্বের পরিচয় দেন। এছাড়া অপর্ণাচরণ সিটি করপোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে আয়োজিত দেশের গান এবং নবরত্ন সংঘের সঙ্গীত প্রতিযোগিতায় ভক্তিগীতিতে প্রথম স্থান অর্জন করেন। নগরীর বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের বার্ষিক অনুষ্ঠানমালায় সঙ্গীত পরিবেশন করে তিনি শ্রোতাদের নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছেন। পেয়েছেন সম্মাননা স্মারক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ‘ভয়েস অব রুদ্রা’ নামে এই সঙ্গীত শিল্পীর একটি অফিসিয়াল পেজ রয়েছে। পছন্দের গান গেয়ে সেটির ভিডিওচিত্র ধারণ করে ওই পেজে নিয়মিত আপলোড করেন তিনি। সঙ্গীত জগতে সুদীর্ঘ যাত্রাপথে সবসময় শ্রোতাদের ভালোবাসাসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা তার জীবনের পাথেয় হয়েই থাকবে বলে তিনি মনে করেন।
