নিজস্ব প্রতিবেদক
বেজপাড়া টিবি ক্লিনিক রোডে পারিবারিক জমি বন্টন ব্যাতিত জোরপূর্বক পৈতৃক বাড়ি ভেঙে পৌরসভায় অবৈধ বন্টননামা ও অন্যান্য কাগজপত্র দাখিল এর মাধ্যমে প্লান পাস করে বিল্ডিং স্থাপনার কাজ করে মাহামুদুর রহমান সোহেল। এ ব্যাপারে অন্যান্য শরিকগন পত্র মারফত একাধিকবার পৌরসভায় অবগত করানো হইলেও পৌরসভা এ ব্যাপারে কর্ণপাত করে নাই। ফলে পৌরসভার অনুমোদিত নকশার বাহিরে ইচ্ছামত বিল্ডিং স্থাপনা প্রায় সমাপ্তের পথে। পরবর্তীতে গত ২৪/২/২০২৫ তারিখে শরীকগন পৌরসভায় আরেকটি আবেদন দাখিল করে। এই আবেদনের প্রেক্ষিতে বিষয়টি সরে জমিনে পরিদর্শনের জন্য সার্ভেয়ার খোকন শেখ ঘটনাস্থলে আসেন। পরিদর্শনকালে তিনি লক্ষ্য করেন যে ভবনের সম্মুখে ৩’-৬”, ০’-০”, এবং পিছনে ২’-০” ছেড়ে উপরের রড বৃদ্ধি করে রেখেছেন। পূর্ব পাশে ১’-৭”, ১’-৬” ছেড়ে জানালার উপর কার্নিশ প্রতিবেশীর বাড়ির দিকে বর্ধিত করেছেন। পশ্চিম দিকে ২’-৬” ছেড়ে উপরে ১’-০” ছাদ বৃদ্ধি করেছেন। এছাড়া মাহমুদুর রহমান তার ভবনের পূর্ব ও পশ্চিম পৌরসভার অনুমোদিত নকশার বাইরে বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ করেছেন। পশ্চিম পাশের ওয়াল টি পৌরসভার রাস্তার উপর দিয়ে করেছেন। ফলে এলাকাবাসী ও তাহার উপর ক্ষুব্ধ এবং এলাকাবাসী পৌরসভায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করিয়াছেন। কিন্তু মাহমুদুর রহমান সোহেল কারো কথায় কোন কর্ণপাত না করে ইচ্ছা মতো কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। সমাজসেবা অধিদপ্তরের একজন কর্মচারী হিসাবে মাহমুদুর রহমান সোহেলের এ ধরনের আচরণে সবাই হতবাক। তার এই কার্যক্রম স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন ২০০৯ এর ৩৫ এবং ৩৬ ধারার পরিপন্থী এবং বেআইনি। এছাড়া পরিবারের বোনেদের অংশের জমিও সে দখল করে রেখেছে। এ ব্যাপারে বোনেরা কিছু বলতে গেলে তাদেরকে জীবননাশের হুমকি প্রদান করছে।
তার এহেন কার্যক্রমের জন্য এলাকাবাসী এবং শরীকগণ প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করছেন।
