প্রতিদিনের ডেস্ক॥
শুক্রবার ইরানে ইসরায়েলের বিমান হামলার জবাবে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে তেহরান। ইরানের ছোড়া কয়েকটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের শক্তিশালী আয়রন ডোম প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ভেদ করে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে বলে দাবি করেছে তেহরান। ইসরায়েলের চলমান হামলায় ইতোমধ্যেই ইরানে নিহত হয়েছে বহু মানুষ। এর জবাবে ইরান বহু ক্ষেপণাস্ত্র ও শত শত ড্রোন ছুঁড়েছে, যাতে ইসরায়েলে অন্তত ২৪ জন নিহত এবং শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। দেশজুড়ে বোমা আশ্রয়কেন্দ্রে ঢুকে নিরাপত্তা নিতে বাধ্য হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। ইরানের কিছু ক্ষেপণাস্ত্র মধ্য ইসরায়েলের আবাসিক এলাকায় আঘাত হেনেছে, যেখানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রাজধানী তেল আবিবে অবস্থিত ইসরায়েলের সুরক্ষিত সামরিক সদরদপ্তর কিরিয়াতেও হামলা হয়েছে, যদিও সেখানকার ক্ষয়ক্ষতি ছিল সীমিত। ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কেন্দ্রে রয়েছে ‘আয়রন ডোম’, যা স্বল্প-পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করে ধ্বংস করতে সক্ষম। তবে শুধু আয়রন ডোমই নয়, ইসরায়েলের মাল্টি-লেভেল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় রয়েছে বারাক-৮, ডেভিড’স স্লিং এবং অ্যারো-২ ও অ্যারো-৩। এগুলো মাঝারি ও দীর্ঘপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মোকাবেলায় ব্যবহৃত হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরান কয়েকটি কৌশলের মাধ্যমে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ভেদ করতে সক্ষম হচ্ছে। তা হলো, বিপুল পরিমাণে হামলা, একসঙ্গে বিপুল সংখ্যক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ে ইরান ইসরায়েলের ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের মজুদ শেষ করে ফেলতে চাইছে।
