১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ  । ৩০শে নভেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ 

পাইকগাছায় বিএনপি নেতার আত্মহত্যা নিয়ে ঘৃন্য অপপ্রচারে লিপ্ত একটি মহল

মাজাহারুল ইসলাম মিথুন, পাইকগাছা
খুলনার পাইকগাছায় বিএনপির আভ্যন্তরীণ গ্রুপিংকে পুঁজি করে বিএনপি নেতার আত্মহত্যা নিয়ে ঘৃন্য অপপ্রচারে লিপ্ত একটি মহল। যা দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার চক্রান্ত বলে মন্তব্য করছে দলীয় নেতৃবৃন্দরা। গত বৃহস্পতিবার গভীররাতে বিষপানে আত্মহত্যা করেন পাইকগাছা পৌরসভা বিএনপির ৬নং ওয়ার্ড সহ-সভাপতি কাজী মোশাররফ হোসেন (৪৪)। বৃহস্পতিবার পাইকগাছা পৌরসভা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে গোপন ব্যালটে সভাপতি, সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। রাত সাড়ে ৮ টার দিকে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এ নির্বাচনে মোশাররফ একটা পক্ষে কাজ করেন। তার প্রার্থী পরাজিত হয়। এতে সে মানষিকভাবে আঘাত পায় এবং রাতে বিষপানে আত্মহত্যা করেছে বলে জানা যায়। এদিকে বিষয়টিকে পুজি করে বিএনপির আভ্যন্তরীণ একটি গ্রুপ অপপ্রচার করছে বিজয়ী প্রার্থীর লোকেরা তাকে আত্মহত্যা করতে প্ররোচিত করেছে। এমনকি বলা হয়েছে তাকে মারপিট করায় তিনি আত্মহত্যা করেন। এবিষয়ে বিজয়ী সাধারণ সম্পাদক কামাল আহম্মেদ সেলিম নেওয়াজ জানান,নির্বাচনের দিন কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি বরং উৎসবমুখর পরিবেশে সম্মেলন সম্পন্ন হয়েছে। পাইকগাছায় বিএনপির মধ্যে দুটি গ্রুপ প্রকাশ্য রয়েছে অন্য গ্রুপের প্রার্থী পরাজিত হয়ে অহেতুক ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করছে। ভিন্ন দলীয় লোকদের দিয়ে অপপ্রচার করে আমার তথা দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে। নির্বাচনে নিয়োজিত প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ্যাডঃ চৌধুরী আব্দুস সবুর বলেন সম্মেলনে ফলাফল ঘোষণার পুর্ব মুহুর্ত পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ছিলো। কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। অপরদিকে মোশাররফের ঘনিষ্ঠ বন্ধু দাবী করে এ্যাডঃ সাইফুদ্দিন সুমন বলেন,তাকে অপমান করায় সে বিষপানে আত্মহত্যা করেছে। মোশাররফ পেশায় একজন মটর সাইকেল মেকানিক। স্থানীয় অনেকেই বলছেন সে অনেকটা অস্বাভাবিক ও আবেগী ছিলো। থানা অফিসার ইনচার্জ রিয়াদ মাহমুদ বলেন,লাশ পোষ্টমটাম করা হয়েছে। তদন্তও করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।

আরো দেখুন

Advertisment

জনপ্রিয়