নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোরে এড়ে গরুর মাংসের পরিবর্তে গাভীর মাংস বিক্রির অভিযোগে এক কসাইখানায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালিয়ে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে শহরতলীর ধর্মতলার মা-বাবার দোয়া মিট হাউজে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কসাইখানায় বাছুরের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে যশোর জেলা প্রশাসনের ট্রান্সফোর্স টিম সেখানে অভিযান চালায়। তবে এর আগেই কসাইখানার মালিক নজরুল ইসলাম পালিয়ে যান। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সেলিমুজ্জামান সাংবাদিকদের জানান, দোকানে এড়ে গরুর পরিবর্তে বকনা বা গাভীর মাংস বিক্রি করা হচ্ছিল। সেখানে ৭৫০ টাকা কেজি দরে মাংস বিক্রি হচ্ছিল, কিন্তু কোথাও উল্লেখ ছিল না সেটা কোন ধরনের গরুর মাংস। এটি আইনের লঙ্ঘন। তিনি আরও বলেন, তাদের পৌছানোর আগেই বাছুরের দেহ সরিয়ে ফেলা হয়। প্রতিষ্ঠান মালিককে ডেকে পাঠানো হলেও তিনি আর আসেননি। অভিযানে দোকানে সংরক্ষিত থাকা প্রায় ১২ কেজি মাংস ধ্বংস করা হয় এবং ১৮ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র কৃষি বিপণন কর্মকর্তা কিশোর কুমার সাহা, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর নাজনীন নাহার, উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মহিবুল ইসলাম, ক্যাব সদস্য ও পুলিশের একটি টিম। ভোক্তা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভেজাল ও প্রতারণার বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

