প্রতিদিনের ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রে চলছে ইতিহাসের অন্যতম দীর্ঘ শাটডাউন। এর প্রভাবে ভোগান্তিতে পড়েছেন দেশটির সরকারি কর্মচারীরা। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান নেতারা কংগ্রেসে নতুন অর্থবছরের জন্য সরকারি সংস্থাগুলোর অর্থায়ন নিয়ে তীব্র বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। এই রাজনৈতিক অচলাবস্থার ফলে সরকারি দপ্তরগুলোর কার্যক্রম আংশিকভাবে স্থবির হয়ে পড়েছে, আর সবচেয়ে বড় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ কর্মীরা।বাইপার্টিজান পলিসি সেন্টারের সর্বশেষ হিসেব অনুযায়ী, আমেরিকার চলমান ফেডারেল শাটডাউনে প্রায় ৭ লাখ ৩০ হাজার সরকারি কর্মী বেতন ছাড়া কাজ করছেন। একই সঙ্গে প্রায় ৬ লাখ ৭০ হাজার কর্মীকে অস্থায়ী ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। তবে শাটডাউন দীর্ঘায়িত হওয়ায় বিভিন্ন সরকারি সংস্থা তাদের নীতিতে পরিবর্তন আনছে। উদাহরণস্বরূপ, ইন্টারনাল রেভিনিউ সার্ভিস (আইআরএস) প্রথমে ঘোষণা করেছিল যে তারা ‘ইনফ্লেশন রিডাকশন অ্যাক্ট’ তহবিল ব্যবহার করে তাদের প্রায় ৭৪ হাজার ৩০০ কর্মীকেই বেতন দিতে পারবে। কিন্তু এক সপ্তাহ পর সংস্থাটি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে তাদের প্রায় অর্ধেক কর্মীকে সাময়িক ছুটিতে পাঠায়। চলমান শাটডাউনের কারণে সেনেটের কর্মীদের শুক্রবার বলা হয়েছে যে তারা অক্টোবরের ২০ তারিখের বেতন এবং শাটডাউন চলাকালীন কোনো বেতন পাবেন না। এদিকে বিচার বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে পূর্ণ কার্যক্রম চালানোর জন্য অর্থ তহবিল শেষ হয়ে গেছে। জরুরি কর্মীরা তাদের দায়িত্ব পালন করবেন বেতন ছাড়া, কিন্তু অন্যান্য বিচারক ও আদালতের কর্মীদের অস্থায়ী ছুটিতে (ফারলো) পাঠানো হবে।

