প্রতিদিনের ডেস্ক:
সব স্পৃহা গুহার ভেতর থেকে বেরিয়ে আসা
প্রাগৈতিহাসিক রাতের মতো মুগ্ধ করে
নিখোঁজ সংবাদ লিখতে লিখতে
মনে পড়ে যায় একটা মুখ, মনে পড়ে একটা পৃথিবী
সবুজ নয় ধূসর নয় মায়াবী অথচ চিরচেনা
জন্ম-জন্মান্তরের পরিচিত;
ভাঙা মৃদঙ্গে উৎকণ্ঠার লিপি বাজতে বাজতে থেমে যায়
গান্ধারীর মতো প্রশ্নের বিভীষিকা খুলে
বসে মন…
****
সপ্তপদী
ঘুম ঘুম বেদনার ডাকে ধু-ধু মরুভূমি কাঁদে বুকের ভেতরে
নড়ে ওঠে নীল গুল্মলতা
সহজ সাজে সেজেছে কুমারী
ঠোঁটে তার সুরের বসুধা
হাতে পাংশুর রঙে রাঙা পূর্ণিমার চাঁদ
চুলগুলো কোমল কুসুম
অধর যেন লক্ষ্মী প্রতিমা
প্রেম নয় আরও চটুল পিপাসা;
রাজনৈতিক বিভাজনের মতো তুলেছে দেওয়াল
সপ্তপদী খেলা শেখেনি পুরুষ মিটিয়েছে কেবল ব্যর্থ কামনা।
****
মহারানি
দেখ না দিঘিতে জল টলমল করে
থেকে থেকে চোখ দুটো যেন মনে পড়ে
বুকের খাঁচার পাখি হাওয়ায় ভেসে
উড়ে এসে বসবে কি নিয়তির টানে
মন বড় উচাটন জড়সড় চোখ
কীভাবে ফুরাব তারে হারানোর শোক
অদূরে ছিলাম বসে নির্নিমেষ চোখে
আমারে সে রেখেছে কি বিলাবল রাগে
এই জীবনের ভাগে যত ঋতু আছে
সঙ্গী হবে কি সে পথে সাহসের রথে?
মন্দ নয় সেই ভাব ঘুম হলাহল–
যদিও বুকের মাঝে খুব কোলাহল;
তথাপি সে যদি ডাকে ধরে হাতখানি
আমি ডাক নাম দেব তার মহারানি।

