১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ  । ৩০শে নভেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ 

আট দলের আন্দোলনে এনসিপির সংহতি

প্রতিদিনের ডেস্ক:
আট দলের আন্দোলনে সংহতি জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটির মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, আন্দোলনকারীদের বলবো, আপনাদের পাশে আছি। দাবি আদায় না করে ঘরে ফিরবেন না।বুধবার (১২ নভেম্বর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির মিলনায়তনে ন্যাশনাল হেলথ অ্যালায়েন্সের (এনএইচএ) আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, বাংলাদেশে গৃহযুদ্ধ ভাব বিরাজ করছে। গতকাল থেকে শুরু হয়েছে ককটেল সন্ত্রাস। এ সময়ে আমাদের এনএইচএ’র আত্মপ্রকাশ উৎসব করতে হচ্ছে।তিনি বলেন, ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে একা চলছে। শিক্ষক, নার্স যারাই আন্দোলন করেছেন তাদের জলকামান আর পিটুনি দিয়ে বিদায় করেছে। স্বাস্থ্য খাতে নৈরাজ্য চলছে। তারা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেনি।এসময় তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিত্র তুলে ধরেন। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, আমরা কথা বললে অনেক উপদেষ্টা নাখোশ হন। নাখোশ হলে চলবে না। আপনারা যখন সরকারে বসেছেন, জনতার দাবি পূরণ করতে হবে।সংস্কার ইস্যুতে আগের বিএনপির প্রশংসা ও বর্তমান বিএনপি নেতাদের সমালোচনা করে এই এনসিপি নেতা বলেন, সংস্কার প্রয়োজন আছে কি নাই, এটার জন্য গত ১৫ বছর বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মী গুলিবরণ করেছেন (আন্দোলন করে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন)। জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের ওপর ফ্যাসিস্ট রিজিমের এমন কোনো নির্যাতনের কলকব্জা নাই যা প্রয়োগ করেনি। আমরা বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী ও শিবির নেতা মুকাদ্দাসের মরদেহ এখনো পাইনি। এমন পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসে আমরা সংস্কারের জন্য দীর্ঘদিন বসে কাজ করলাম। কিন্তু একটা দল সংস্কার প্রক্রিয়া থেকে বেরিয়ে গেছে। তারা সংস্কার চায় না। তারা বলে বাংলাদেশের মানুষ সংস্কার চায় না। তাহলে দেওয়ালে দেওয়ালে সংস্কারের কথাগুলো কারা লিখলো?তিনি বলেন, সংস্কারের পক্ষে জনগণ ভোট দিতে চায়। আপনি সেটা হরণ করলে আপনার মুখে গণতন্ত্রের কথা মানায় নয়। জিয়াউর রহমান জনগণের পালস বুঝতে পেরেছেন বলেই হ্যাঁ ভোটে বিএনপির জন্ম হয়েছে। খালেদা জিয়া জনগণের পালস ধরতে পেরেছেন বলেই বিএনপি বড় দলে পরিণত হয়েছে। কিন্তু এখন যারা বিএনপির নেতৃত্বে আছেন, তারা যদি বিষয়টি না বোঝেন তাহলে আমাদের কী করার আছে?

আরো দেখুন

Advertisment

জনপ্রিয়