২রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ  । ১৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ 

খুলনা আ.লীগ অফিসে ভাংচুর-অগ্নিসংযোগ

খুলনা প্রতিনিধি
প্রায় দেড় বছর পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র তিনদিনের মাথায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে প্রবেশ করে বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবিতে ফুলের মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানান দলটির নেতাকর্মীরা। এই ঘটনা জানাজানির পর ওই কার্যালয়ে ভাঙচুর করেন বিক্ষুব্ধরা। একপর্যায়ে সেখানে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এআগে পঞ্চগড়ে আ’লীগ অফিসের তালা খুলে দেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি। শনিবার ঢাকায় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হাজির হয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে আলোচনায় আসেন বেশ কয়েকজন দিনমজুর। আজ রোববার ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধুর ভাঙা বাড়িতে শ্রদ্ধা নিদেবন করেন ঢাবি শিক্ষকের নেতৃত্বে বেশ কয়েজন নেতাকর্মী। এ সময় পুলিশ তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় মহানগরীর শঙ্খ মার্কেট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এরআগে রোববার দুপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের একদল নেতাকর্মী কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। এ সময় তারা কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। পাশাপাশি শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার ছবি টাঙিয়ে তাতে মালা পরিয়ে দেন। এ সময় তারা ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগানও দেন। পরে এই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি নিয়ে নগরজুড়ে উত্তেজনা শুরু হলে সন্ধ্যায় কিছু ছাত্ররা কার্যালয়ের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে আসবাবপত্র ভাঙচুর করে আগুন দেয়। এ ঘটনার পরপরই শঙ্খ মার্কেট এলাকার দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন বলেন, বিকেলে আওয়ামী লীগ কার্যালয় খোলার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। কিন্তু তালাবদ্ধ থাকায় তখন ভেতরে প্রবেশ করা সম্ভব হয়নি। আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে কার্যালয় যারা খুলেছে, তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ছবি টাঙানোর পর ছাত্ররা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন। ফায়ার সার্ভিস আসার আগেই স্থানীয়ভাবে আগুন নেভানো হয়। এদিকে. ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দুই দিনের মাথায় নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর খুলনা জেলা ও মহানগর কার্যালয়ের সামনে শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার ছবি টানানো ও মাল্যদানের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছে খুলনা মহানগর বিএনপি। বিবৃতিদাতারা হলেন মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা ও সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন প্রমুখ। সর্বশেষ তথ্যমতে, ঢাবি শিক্ষকসহ যাদের তুলে নিয়ে যায় পুলিশ, পরে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

আরো দেখুন

Advertisment

জনপ্রিয়