২রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ  । ১৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ 

ইরানের রণকৌশল: ‘ইসরায়েলিদের এক মুহূর্তের জন্যও শান্তিতে থাকতে না দেওয়া’

প্রতিদিনের ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল বনাম ইরান যুদ্ধ দ্বিতীয় সপ্তাহে গড়িয়েছে। মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের জবাবে বুধবার (১১ মার্চ) ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’-এর ৩৬তম ধাপের ব্যাপক ও বড় হামলা চালিয়েছে ইরান। খবর আল-জাজিরার।ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) তথ্য অনুসারে, ইসরায়েল ও এই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে এই হামলায় এমাদ ও খেইবার-শেকান ক্ষেপণাস্ত্র এবং আক্রমণকারী ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে।কাতারের সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার জর্ডান প্রতিনিধি ররি চ্যালান্ডসের মতে, ইসরায়েলে ইরানি হামলার কৌশল হলো- ‘ইসরায়েলিদের শান্তিতে থাকতে না দেওয়া’।তিনি জানান, জর্ডান কেবল ইসরায়েলের দিকে যাওয়া ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর আকাশপথেই অবস্থিত নয়, বরং এটি ইসরায়েলের একেবারে প্রতিবেশী দেশ। তাই রাজধানী আম্মানে বসেই তিনি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার বিকট গর্জনের শব্দ শুনতে পাচ্ছেন।ররি চ্যালান্ডস বলেন, “আজকের মূল খবরই হলো সাইরেন আর ক্ষেপণাস্ত্র। ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চল ও উত্তরাঞ্চল লক্ষ্য করে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হচ্ছে এবং বেজে চলেছে সতর্ক সংকেত বা সাইরেন।”তার মতে, “যখনই এই সাইরেনগুলো বাজে, তখনই ইসরায়েলিদের হয় কোনো নিরাপদ কক্ষে অথবা আশ্রয়কেন্দ্রে দৌড়ে যেতে হয়। ইরানের মূল কৌশল আসলে এটাই- ইসরায়েলিদের এক মুহূর্তের জন্যও শান্তিতে থাকতে না দেওয়া।”ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দাবি করছে, প্রতিটি ক্ষেপণাস্ত্র হয় গুলি করে ভূপাতিত করা হয়েছে অথবা সেগুলো জনশূন্য খোলা জায়গায় পড়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর তারা জানায়নি।আল-জাজিরার জর্ডান প্রতিনিধির মতে, ইরানের এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো আসলে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি করছে, তার সঠিক মূল্যায়ন করা বর্তমানে খুবই কঠিন। কারণ ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী চায় না যে সাংবাদিকরা হামলার স্থানগুলোতে ছুটে যাক, কিংবা সাধারণ মানুষ তাদের মোবাইল ফোনে ভিডিও করে তা সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করুক।তাই প্রকৃতপক্ষে কোথায় আঘাত হানা হয়েছে বা কোনো কিছু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি না, তা নিশ্চিতভাবে জানা কঠিন বলে তিনি জানান।

আরো দেখুন

Advertisment

জনপ্রিয়