প্রতিদিনের ডেস্ক:
রাজশাহীতে এবার মুদ্রার উল্টো পিঠটাও দেখল বাংলাদেশ নারী দল। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে শ্রীলঙ্কার কাছে ৪ উইকেটের হার দেখেছে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। ৭০ বল হাতে রেখে পাওয়া জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে সমতায় ফিরেছে শ্রীলঙ্কা। এতে শেষ ম্যাচটি অঘোষিত ফাইনাল হয়ে দাঁড়িয়েছে।আগামী ২৫ এপ্রিল রাজশাহীতেই হবে তৃতীয় ওয়ানডে।সমতায় ফেরানো ম্যাচে সামনে থেকে শ্রীলঙ্কাকে নেতৃত্ব দিয়েছেন চামিরা আতাপাত্তু। প্রথম ম্যাচে না খেলা অধিনায়ক আজ ফিরেই ম্যাচসেরা হয়েছেন। ১৬৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই তার ওপেনিং সঙ্গী হাসিনি পেরেরা আউট হলেও রানের চাকা সচল রাখেন আতাপাত্তু। যদিও ফিফটি পাওয়া হয়নি আতাপাত্তুর। তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে আউট হওয়ার সময় তার নামে পাশে ৪০ রান জুড়ে যায়। ৩৯ বলের ইনিংসটি সাজিয়েছেন ৮ চারে। দলীয় ৭৯ রানে অধিনায়ক আউট হওয়ার দলের সর্বোচ্চ ৭৭ রানের জুটি গড়েন হর্ষিতা সামারাবিক্রমা ও হানসিমা করুণারত্নে।
জয় নিয়ে অবশ্য মাঠ ছাড়তে পারেননি সামারাবিক্রমা ও করুণারত্নে। ৪ রানের ব্যবধানে আউট হন দুজনই। করুণারত্নের ৪০ রানের বিপরীতে কাঁটায় কাঁটায় ৫০ করে আউট হন তার সতীর্থ। তাদের দুজনের দারুণ জুটিতে ভেস্তে যায় নাহিদা আক্তারের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স। ২১ রান খরচ করে দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন তিনি। ব্যাটিংয়ে দারুণ শুরু এনে দেওয়ার আগে বল হাতেও দুর্দান্ত ছিলেন আতাপাত্তু। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেওয়া অফস্পিনার বাংলাদেশকে বড় স্কোর দাঁড় করাতে দেননি। পরে দ্রুত পারফরম্যান্সের জন্য ম্যাচসেরাও হন তিনি। বাংলাদেশের বিপক্ষে এমন অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্স বরাবরই করে আসছেন তিনি। এখন পর্যন্ত ৫ ম্যাচ খেলে প্রতিটিতেই চল্লিশোর্ধ্ব ইনিংস খেলেছেন তিনি। পেয়েছেন দুটি ফিফটি।
সিরিজে জয়ের লক্ষ্যে নেমে আজ বাংলাদেশের শুরুটাও ভালো ছিল না। দলীয় স্কোর ৫৫ পার হওয়ার আগেই ৫ উইকেট হারিয়ে বসে স্বাগতিকেরা। শেষ পর্যন্ত দেড় শ ছড়ানো স্কোরটা পায় অধিনায়ক জ্যোতির কল্যাণে। সপ্তম ব্যাটার হিসেবে আউট হওয়ার আগে ৫৮ রানের ইনিংস খেলেছেন তিনি। ইনিংসটি সাজান ৪ চারে। তার আউট হওয়ার পর ১৬৫ রানের বেশি করতে পারেনি বাংলাদেশ

