১০ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ  । ২৩শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ 

বিভাগ থেকে সংরক্ষিত ৪টি আসন পেলেও খুলনার কাউকে প্রার্থী করেনি জামায়াত

খুলনা প্রতিনিধি
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে খুলনা বিভাগের ৩৬টি আসনে মধ্যে ২৫টিতে জয় পেয়েছে জামায়াত। আনুপাতিক হার অনুযায়ী খুলনা বিভাগের ২৫টি আসনের জন্য ৪টি সংরক্ষিত আসন পেয়েছে দলটি। কিন্তু তার একটিও জোটেনি খুলনার নারী নেত্রীদের। সিলেট, বগুড়া ও চট্টগ্রামের জামায়াত নেত্রীদের সংসদ সদস্য হিসেবে মনোনয়ন দিলেও খুলনার ভাগে পড়েছে শুন্য। প্রকাশ্যে কিছু না বললেও বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ হতাশা প্রকাশ করেছেন তাদের সমর্থকরা। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচেন সংরক্ষিত আসনে মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে মঙ্গলবার। জামায়াত-এসসিপি জোট থেকে ১৩ জন নারী নেত্রীর সংসদে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেত্রীদের বাইরে সিলেট, বগুড়া ও চট্টগ্রামের বিভাগ থেকে একজনকে সংসদ সদস্য করেছে জামায়াত। বাদ পড়েছে খুলনা বিভাগ। খুলনা বিভাগের আঞ্চলিক বৈষম্যের পাশাপাশি আইনের ফাঁকফোকরকে দায়ী করেছেন নারী নেত্রীরা। সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদের (৩) অধীনে জাতীয় সংষদের সংরক্ষিত মহিলা আসনে আনুপাতিক হারে বন্টনে কথা রয়েছে। জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচনী আইনে গাণিতিক পদ্ধতিতে ৩০০ আসনের বিপরীতে ৫০টি সংরক্ষিত আসনে নির্বাচনে মনোনয়নের ভার রাজনৈতিক দলগুলোকেই দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি ফোরাম খুলনার সভাপতি সিলভী হারুন বলেন, ‘আইনে গাণিত্যিক পদ্ধতির সঙ্গে এলাকাভিত্তিক আসনে জোর দেওয়া যেত। কারণ মানুষ ভোট দিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেন। সেই সংসদ সদস্যদের আনুপাতিক হারে সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এখানে এলাকার বাধ্যবাধকতা তৈরি করে দেওয়া উচিত ছিল। তাহলে সংসদে সব এলাকার নারীদের প্রতিনিধিত্ব থাকতো। কিন্তু দলগুলো তাদের পছন্দের ব্যক্তিদের নির্বাচিত করতে সেই সুযোগ রাখেনি। ভবিষ্যতে আইনটি সংস্কারের বিষয়টি ভেবে দেখা দরকার। তিনি বলেন, ‘উপকূলের নারীদের সংগ্রাম, উন্নয়ন বঞ্চনা অন্য সব জেলা থেকে আলাদা। অতীতে রাজনৈতিক দলগুলোর নেত্রীরা সংসদে গিয়ে পিছিয়ে পড়া মানুষের পক্ষে কথা বলেছেন। সংসদে সমস্যা-সংকট তুলে ধরায় অনেক সমস্যার সমাধান হয়েছে। বিএনপি ও জামায়াত সুযোগ থাকা সত্বেও খুলনার কাউকে রাখেনি। বিষয়টি নিয়ে আমরা হতাশ।’

আরো দেখুন

Advertisment

জনপ্রিয়