শামীম হাসান সুজন, শরণখোলা
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সৌদি আরব থেকে আমার আব্বুর লাশ এনে দেন আমি একবার আমার আব্বুর মুখটা দেখতে চাই বলে কান্না করেছিলো সৌদি প্রবাসী ও রেমিটেন্স যোদ্ধা এক পিতা হারানো কন্যা । শরণখোলা উপজেলার ৩ নং রায়েন্দা ইউনিয়নের ৪ নং খাঁদা ওয়ার্ডের মোঃ এমাদুল হাওলাদারের ছেলে মোঃ সজল হাওলাদার (৩১) উপর সৌদি আরবে গাছ পড়ে নিহত হন। মোঃ সজল হাওলাদারের পিতা মোঃ এমাদুল হাওলাদার বলেন গত ২ মে ২০২৬ তারিখ শনিবার আনুমানিক সৌদি আরব সময় ৪ টা ৩০ মিনিটে আমার ছেলে সজল সহ আরো পাঁচজন গাছের নিচে বসে ভাত খাচ্ছিল। তখন একটি বড় ধরনের ঝাউ গাছ হেলে পড়ে বাকি পাঁচজন দৌড়ে বাঁচতে পারলেও আমার ছেলে সজলের উপরে গাছ পড়ে নিহত হয়। নিহত সজল সৌদি আরবের আল কাসিম বুরাইদায় দীর্ঘ ছয় বছর কাজ করতেন। নিহত সজলের চতুর্থ শ্রেণীতে অধ্যায়নরত সামিয়া আক্তার বার বার কেঁদে কেঁদে বলছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমার বাবার লাশটা সৌদি আরব থেকে এনে দেন আমি একবার আমার বাবার মুখটা একবার দেখতে চাই। সৌদি প্রবাসী ও রেমিটেন্স যোদ্ধা সজলের লাশ গত ২৫ মে ২০২৬ তারিখ বুধবার দিন ১১ টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। সেখান থেকে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আজ ২৬ মে ২০২৬ তারিখ বৃহস্পতিবার সজলের লাশ জন্মস্থান শরণখোলায় পৌঁছায়। সজলের লাশ এলাকায় আসার সাথে সাথে বাবার জন্য মেয়ের কান্না দেখে প্রতিবেশী এবং স্থানীয়রা কাঁদে। নিহত সজল হাওলাদার বাবা-মা এক স্ত্রী এক কন্যা সহ অনেক আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন। মোঃ সজল হাওলাদারের বাবা মোঃ এমাদুল হাওলাদার বার বার কান্না করছেন তিনি বলছেন ছেলের লাশ বাবার কাঁধে এর চেয়ে পৃথিবীতে কঠিন ভার বহন হয় না। নিজ বাড়ির সামনে সজলের জানাজা নামাজে প্রচুর মানুষ উপস্থিত হন। জানাজা নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয় সজলকে।

