১৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ  । ১লা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ 

তাইওয়ানে বিশেষ টহল শুরু চীনের

প্রতিদিনের ডেস্ক:
দক্ষিণ চীন সাগর সংলগ্ন পার্শ্ববর্তী বিতর্কিত অঞ্চলে একতরফাভাবে সামুদ্রিক সীমানা নির্ধারণী দ্বিপক্ষীয় আলোচনার ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন মিত্র জাপান ও ফিলিপাইন। দেশ দুটির এমন আকস্মিক যৌথ ঘোষণার তীব্র আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া ও কড়া জবাব হিসেবে তাইওয়ান দ্বীপের পূর্ব দিকের কৌশলগত জলসীমায় একটি বিশেষ সামরিক আইন প্রয়োগকারী টহল পরিচালনা করেছে চায়না কোস্ট গার্ড ‘সিসিজি’। সোমবার (১ জুন) সকালে বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে এই বিশেষ টহল কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া।চায়না কোস্ট গার্ডের অফিশিয়াল মুখপাত্র জিয়াং লুয়ে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করে বলেছেন যে, জাপান ও ফিলিপাইনের এই একতরফা পদক্ষেপ চীনের আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব এবং আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক অধিকার ও স্বার্থকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করেছে। তাই বেইজিংয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে এর বিরুদ্ধে তাইওয়ানের জলসীমায় এই বিশেষ টহলটি দেওয়া ছিল চীনের জন্য একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এবং সময়োপযোগী পদক্ষেপ। জিয়াং লুয়ে আরও বলেন, ‘আমরা জাপান ও ফিলিপাইনকে চীনের সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অধিকার ও আন্তর্জাতিক স্বার্থকে ক্ষুণ্ন করে এমন সমস্ত অবৈধ কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধ করার জোর আহ্বান জানাচ্ছি।’মুখপাত্র জিয়াং লুয়ে তার বক্তব্যে আরও যোগ করেন যে, চীনের সামুদ্রিক নিরাপত্তা সুসংহত করতে সংশ্লিষ্ট জলসীমার ওপর নিজেদের সার্বিক নিয়ন্ত্রণ জোরদার করা অব্যাহত রাখবে চায়না কোস্ট গার্ড। একই সঙ্গে যেকোনো মূল্যে চীনের আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব ও সামুদ্রিক অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় বেইজিং প্রশাসন ভবিষ্যতে আরও কঠোর ও প্রয়োজনীয় আন্তর্জাতিক সামরিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এশীয় প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, টোকিও এবং ম্যানিলার এই যৌথ পদক্ষেপের বিপরীতে বেইজিংয়ের এই আকস্মিক টহল মূলত তাইওয়ান প্রণালি ও দক্ষিণ চীন সাগরে নতুন করে বড় ধরনের সামরিক উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।

আরো দেখুন

Advertisment

জনপ্রিয়