প্রতিদিনের ডেস্ক:
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীনে জাতীয় ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন অসচ্ছল, অসুস্থ, আহত ও অসমর্থ ক্রীড়াসেবীদের ক্রীড়া ভাতা, প্রতিভাবান ও উদীয়মান ক্রীড়া শিক্ষার্থীদের ‘ক্রীড়া শিক্ষা বৃত্তি’ এবং অসুস্থ ও অসচ্ছল ক্রীড়াসেবীদের ‘চিকিৎসা ও আর্থিক সহায়তা’ প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সম্মেলনকক্ষে জাতীয় ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এবং জাতীয় ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. আমিনুল হক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন যুব ও ক্রীড়া সচিব এবং ফাউন্ডেশনের ভাইস-চেয়ারম্যান মো. মাহবুব-উল-আলম।‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ক্রীড়া ভাতা, ক্রীড়া শিক্ষা বৃত্তি এবং চিকিৎসা ও আর্থিক সহায়তা বাবদ মোট ৮ কোটি ৪১ লাখ ৭৪ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে রাজস্ব বাজেট হতে ১,৭৯৭ জন ক্রীড়াসেবীকে ক্রীড়া ভাতা বাবদ ৫ কোটি ৩৯ লাখ ১০ হাজার টাকা এবং সিডমানির লভ্যাংশ হতে অসচ্ছল ও অসুস্থ ৪২ জন ক্রীড়াসেবীকে চিকিৎসা ও আর্থিক সহায়তা বাবদ ৩২ লাখ ৪০ হাজার টাকা বিইএফটিএন পদ্ধতিতে সরাসরি প্রদান করা হয়। এছাড়া প্রতিভাবান ও উদীয়মান ১,৪২৩ জন ক্রীড়া শিক্ষার্থীকে মোট ২ কোটি ৭০ লাখ ২৪ হাজার টাকা ক্রীড়া শিক্ষা বৃত্তি হিসেবে প্রদান করা হয়েছে।অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত থাকা দেশের সকল জেলা প্রশাসক ও জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, যারা সত্যিকার অর্থে এই ক্রীড়া ভাতার প্রাপ্য এবং দীর্ঘদিন যাবত খেলাধুলার সাথে জড়িত ছিলেন, আমরা তাদেরকেই এই সহায়তা প্রদান করতে চাই। আগামী বছরগুলোতে এই কার্যক্রমকে আরও সুশৃঙ্খল ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।সাবেক খেলোয়াড়দের কল্যাণে মন্ত্রণালয়ের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, সাবেক খেলোয়াড়দের মধ্যে যারা বর্তমানে অসচ্ছল অবস্থায় দিন যাপন করছেন, দেশের সকল ফেডারেশনের সাথে কথা বলে তাদের একটি সঠিক তালিকা তৈরি করা হবে। সেই তালিকা অনুযায়ী যোগ্য ক্রীড়াসেবীদের স্থায়ীভাবে ক্রীড়া ভাতার আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এ লক্ষ্যে মন্ত্রণালয় থেকে একটি নতুন নীতিমালা তৈরি করা হচ্ছে এবং আগামীতে ক্রীড়াসেবী ভাতা প্রদানের নীতিমালায় কিছু যুগোপযোগী পরিবর্তন এনে ফাউন্ডেশনের কল্যাণমূলক কার্যক্রমকে তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া হবে।

