উৎপল মণ্ডল,শ্যামনগর
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়কে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ইটভাটার মাটি, বালু ও ইট বহনকারী ডাম্পার, ট্রাক্টর (টলি) ও শ্যালো ইঞ্জিনচালিত অবৈধ যানবাহন।এতে একদিকে নষ্ট হচ্ছে সড়ক, অন্যদিকে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। মারাত্মক শব্দদূষণ সহ বাতাসে উড়া ধুলাবালুর প্রভাব পড়ছে পরিবেশের ওপর।এছাড়া হালকা বৃষ্টি কারনে কাঁদামাটি রাস্তার উপর পড়ায় প্রতিনিয়তো ঘটছে দূর্ঘটনা।এধরনের অবৈধ যানবাহন চলাচল করলেও অদৃশ্য কারণে প্রশাসন নিরব ভূমিকা পালন করার ক্ষুব্ধ হচ্ছে সাধারণ জনগণ।সাথে তারা প্রশাসনের কাছে এসব গাড়ির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানান। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সড়ক-মহাসড়ক দিয়ে প্রতিনিয়ত মাটি, বালু ও ইটবাহী ডাম্পার,ট্রাক্টর, শ্যালো ইঞ্জিনচালিত গাড়ি চলছে।মাটি, ইট ও বালুবাহী অতিরিক্ত ওজনের এসব গাড়ির কারণে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা পাকা সড়কগুলোর কার্পেটিং যেমন উঠে যাচ্ছে তেমন সড়কে খানাখন্দের সৃষ্টি হাওয়ায় বাড়ছে জনদুর্ভোগ। ক্ষিপ্ত গতির দানব ডাম্পারের কারণে দূর্ঘটনার কবলে পড়তে হচ্ছে সাধারণ পথচারীদের।দেখা যায় এসব যানবাহন চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্সতো নেই সাথে অপ্রাপ্তদের দিয়ে চালানো হয় এই ডাম্পার। স্থানীয়দের মতে, উপজেলার বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়কে প্রতিনিয়ত অবৈধ যানবাহন চলাচল করে। আমরা শুনেছি এসব অবৈধ যানবাহন থেকে কে-বা কারা নিয়মিত অবৈধ সুবিধা পেয়ে থাকেন।এ-কারণে হয়তো বন্ধ করা যাচ্ছে না অবৈধ যানবাহন। সেচ্ছাসেবী সংগঠন সিডিও ইয়ুথ টিমের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও পরিবেশ কর্মী গাজী আল ইমরান বলেন, ইটভাটার মাটি, বালু ও ইট বহনের ডাম্পার, ট্রাক্টরের চাকায় কোটি কোটি টাকার সড়ক নষ্ট হচ্ছে। মারাত্মক শব্দদূষণ ও ধুলাবালুর প্রভাব পড়ছে পরিবেশের ওপর। প্রাণহানিও ঘটছে প্রতিনিয়ত। এসব যানবাহন ও চালকদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি। তবে এব্যাপারে শ্যামনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ আসাদুজ্জামানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং অবৈধ যানবাহনকে কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানান তিনি।

