৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ  । ২০শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ 

কালীগঞ্জে অপচিকিৎসায় বাছুর ও গাভীর মৃত্যু

সোহাগ আলী, কালীগঞ্জ
সনদবিহীন ভুয়া পশু চিকিৎসক বিষ্ণু কুমার দাস ও তার সহযোগী শামীম আহমেদ পলাশ অপচিকিৎসার শিকার হয়ে নিঃস্ব, অসহায় এবং দুস্থ এক খামারির একমাত্র সম্বল গর্ভবতী গাভী ও বাছুর মারা গেছে। গাভীর বাচ্চা প্রস্রাব করাতে যেয়ে দড়ি দিয়ে পা বেঁধে টানা টানি এবং গাভীর জরায়ুতে হাত ঢুকিয়ে অতিরিক্ত টানাটানির কারণে ঘাড় ভাঙ্গা অবস্থায় জন্ম নেওয়া বাছুরের মৃত্যু হয়। এর ৩ দিন পর গাভী গরুটিও মারা যায়। ঘটনাটি ঘটেছে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলায়। ৩১ মার্চ রোববার কাশিমা জগন্নাথপুর গ্রামের মৃত বঙ্গ দাসের ছেলে কানাই লাল দাস নামের এক খামারি অপচিকিৎসার শিকার হয়ে বাছুর সহ গরুটি হারায়। কানাই লাল দাস বলেন, রবিবার সন্ধ্যায় আমার দেশী জাতের গাভী গরুটির ডেলিভারির ভাব দেখে স্থানীয় পশু চিকিৎসক বিষ্ণু কুমার দাস ও শামীম আহমেদ পলাশকে ডেকে আনেন। বিষ্ণু ও পলাশ ডাক্তার দুজনে মিলে সাঁড়াশি দিয়ে ডেলিভারি করায়। বাছুরটি ঘাড় ভাঙ্গা অবস্থায় পেটের মধ্যে মারা যায়। ডেলিভারি করানো বাবদ ৭ হাজার টাকা দাবি করছে। ৩ এপ্রিল রাতে গরুটিও মারা যায়। পশু চিকিৎসক শামীম আহমেদ পলাশ বলেন, বিষ্ণু আমাকে ওখানে ডেকে নিয়ে গিয়েছিল। আমরা চেষ্টা করেছি বাছুর না বাঁচলে কি করবো। প্রাণী চিকিৎসার কোন সরকার অনুমদিত বৈধ সনদ নেই বলে জানান। কার্যতঃ উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার দায়িত্বহীনতার কারলেই এমনটা হচ্ছে বলে অভিযোগ। কালীগঞ্জ উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ রেজাউল করিম বলেন, সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে বিষ্ণু কুমার দাসের প্রাণী চিকিৎসার ফলে খামারির গরু মারা যাওয়ার ঘটনা দুঃখজনক। ঘটনাটি আমি শুনেছি। তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরো দেখুন

Advertisment

জনপ্রিয়