চিপ উৎপাদনে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম প্রতিষ্ঠান এসএমআইসি

প্রতিদিনের ডেস্ক॥
বৈশ্বিক ফাউন্ড্রি মার্কেটে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে চীনা চিপমেকার সেমিকন্ডাক্টর ম্যানুফ্যাকচারিং ইন্টারন্যাশনাল করপোরেশন (এসএমআইসি)। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে বিক্রি পরিসংখ্যান কোম্পানিটির এ অবস্থানে আসার পেছনে প্রভাবক হিসেবে কাজ করেছে। মার্কিন সরকার যখন চীনা বাণিজ্যের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে, তখনই খবরটি প্রকাশ্যে এল। খবর গিজমোচায়না।
প্রযুক্তি বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান কাউন্টারপয়েন্টের এক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৪ সালের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) বৈশ্বিক চিপ ফাউন্ড্রি আয়ের ৬ শতাংশ অর্জন করেছে এসএমআইসি, যা কোম্পানিটিকে এ খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান তাইওয়ান সেমিকন্ডাক্টর ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি (টিএসএমসি) এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম দক্ষিণ কোরিয়ার চিপমেকার স্যামস্যাং ইলেকট্রনিকসের পরের অবস্থানে নিয়ে এসেছে। শীর্ষে থাকা টিএসএমসির বৈশ্বিক শেয়ারের পরিমাণ ৬২ শতাংশ। আর স্যামস্যাংয়ের দখলে রয়েছে ১৩ শতাংশ।
এসএমআইসির এ প্রবৃদ্ধির পেছনে ভূমিকা রেখেছে কোম্পানিটির কৌশলগত পরিবর্তনের বিষয়টি। সম্প্রতি তারা হুয়াওয়ের মতো স্থানীয় গ্রাহকদের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। ফলে দেখা গেছে, ২০২৪ সালের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে মোট আয় হয়েছে ১৭৫ কোটি ডলার, যার প্রায় ৮২ শতাংশ এসেছে স্থানীয় বাজারের গ্রাহকদের কাছ থেকে। এটি এক বছর আগের একই সময়ের তুলনায় ৭৫ দশমিক ৫ শতাংশ ও গত প্রান্তিকের ৮০ শতাংশের তুলনায় মোটামুটি স্থির প্রবৃদ্ধি।
এসএমআইসির এ প্রবৃদ্ধি অর্জনে তেমন কোনো বাধা ছিল না। কারণ গত বছর হুয়াওয়ের মেট ৬০ প্রো ফাইভজি স্মার্টফোনের একটি তথ্য থেকে জানা গেছে, ফোনটিতে একটি উন্নত কিরিন ৯০০০এস প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে, যা নির্মাণ করেছে এসএমআইসি।
এদিকে এ-সংক্রান্ত খবর প্রকাশের পর ওয়াশিংটনে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। বিদ্যমান মার্কিন নিষেধাজ্ঞার পরিপ্রেক্ষিতে চীনে কীভাবে এ জাতীয় চিপ তৈরি করা যেতে পারে, তা তদন্তের আহ্বান জানানো হয়েছে।

আরো দেখুন

Advertisment

জনপ্রিয়