প্রতিদিনের ডেস্ক॥
ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যাকাণ্ডে অন্যতম সন্দেহভাজন মো. সিয়াম হোসেন নেপালে আটক হয়েছেন। এছাড়া হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হওয়ার পর অন্যান্য আসামিরাও নেপালে যাওয়া সম্ভাবনা আছে। সবদিক বিবেচনা করে আমরা সেখানে যাচ্ছি। শনিবার (১ জুন) সকাল ১০টার দিকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার হারুনুর রশিদ শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল-২ গেটে গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী শাহীনের সহকারী সিয়াম নেপালে আটক হয়েছেন বলে শুনেছি৷ এছাড়া হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হওয়ার পর অন্যান্য আসামিরাও নেপালে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। সবদিক বিবেচনা করে আমরা সেখানে যাচ্ছি। ডিবির হাতে গ্রেফতার আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। সেসব তথ্য ক্রসচেক করা হবে। এদিকে, তদন্তের অংশ হিসেবে হারুন অর রশীদের নেতৃত্বে একটি দল সম্প্রতি কলকাতায় যায়। গত ২৮ মে বিকেলে কলকাতার নিউটাউনের সঞ্জীব গার্ডেনের সেপটিক ট্যাংক থেকে প্রায় ৪ কেজি মাংসের টুকরা উদ্ধার করে ডিবি ও কলকাতা সিআইডির যৌথ দল। হারুন অর রশীদ বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে এটি আজীমের দেহাবশেষ। ফরেনসিক টেস্টের মাধ্যমে পরে জানা যাবে এটি তার দেহাংশ কিনা।’ তখন হারুন জানান, হত্যায় আরেক অভিযুক্ত সিয়াম এখন কাঠমান্ডুতে আছেন। তাকে ফেরাতে নেপাল সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ চলছে। আজীম হত্যার মোটিভ এখনো জানা যায়নি বলেও জানান হারুন। তিনি বলেন, মূল পরিকল্পনাকারী গ্রেফতারের পর মোটিভ সম্বন্ধে পরিষ্কার হওয়া যাবে। উল্লেখ্য, গত ১২ মে চিকিৎসার উদ্দেশ্য কলকাতা যান এমপি আনার। পরেরদিন তিনি নিখোঁজ হন। পরে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর আসে। ভারতের কলকাতার নিউটাউনে বিলাসবহুল যে অ্যাপার্টমেন্টে এমপি আনারকে হত্যা করা হয়েছিল সেখানকার সুয়ারেজ লাইন থেকে মাংসের টুকরা উদ্ধার করা হয়েছে, যা এমপি আনারের বলে ধারণা করা হচ্ছে।

