নিজস্ব প্রতিবেদক
মধুর আমার মায়ের হাসি চাঁদের মুখে ঝরে, মাকে মনে পড়ে আমার মাকে মনে পড়ে। ২০০৮ সালের ৮ মার্চ জয়তী সোসাইটি ১১৩ জন দুঃস্থ, অবহেলিত ৬০ ঊর্ধ্ব মায়েদের নিয়ে শুরু করে ৬০ ঊর্ধ্ব নারীসেবা কর্মসূচি। বর্তমানে এই কর্মসূচীর মায়ের সংখ্যা ৪০০ জন। ‘বৃদ্ধাশ্রম নয়, পরিবারই হোক বয়স্কদের জন্য নিরাপদ আনন্দ আশ্রম।’ এই উদ্দেশ্যকে সামনে নিয়ে সমাজের বিভিন্ন হৃদয়বান ব্যক্তি, সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের সহায়তা নিয়ে জয়তী সোসাইটির ৬০ ঊর্ধ্ব নারীসেবা কর্মসূচীর বাস্তবায়ন কমিটি এই বয়ষ্ক মায়েদের পাশে দাড়ায়। প্রতি বছর বিভিন্ন উৎসব পার্বনে এই মায়েদেরকে উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়। এ বছরও জয়তী সোসাইটি ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে ০৪/০৪/২০২৪ ইং তারিখ বৃহস্পতিবার ৪০০ জন মায়ের মাঝে শাড়ী,পেটিকোট, ব্লাউজ,সেমাই,চিনি ও প্রত্যেককে মাথাপিছু ১৫ কেজি হারে চাউল প্রদান করেছে যাতে করে মায়েরা ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্জিত না হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যশোর লেডিস ক্লাবের সভাপতি নুসরাত সুলতানা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোছাঃ খালেদা খাতুন রেখা, ডিভাইন গ্রুপ প্রতিনিধি এ্যাডভোকেট তজিবর রহমান, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা সাধন কুমার দাস, জেলা ত্রান ও পুণর্বাসন কর্মকর্তা মুহাম্মদ রিজিবুল ইসলাম, জেলা প্রতিবন্ধি বিষয়ক কর্মকর্তা মুনা আফরিন, ষষ্টিতলাপাড়ার বিশিষ্ট সমাজসেবক ডাঃ নাজিম উদ্দিন মোল্লা। উপস্থিত ছিলেন ৬০ ঊর্ধ্ব নারীসেবা কর্মসূচি বাস্তবায়ন কমিটির সহ- সম্পাদক পরিতোষ বিস, সদস্য কাজী লুৎফুন্নেছা, দাতা সদস্য সালেহা খাতুন। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন জয়তী সোসাইটির কর্মী কর্মকর্তাবৃন্দ ও যশোর শহরের বিভিন্ন আঞ্চলিক পত্রিকার প্রতিনিধিবৃন্দ। অনুষ্ঠানের শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন জয়তী সোসাইটির পরিচালক অর্চনা বিশ্বাস। সমগ্র অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অত্র কর্মসূচির সভাপতি জনাব নূরুল ইসলাম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন জয়তী সোসাইটির ইউনিট ম্যানেজার বর্ণালী সরকার।
