১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ  । ৩০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ 

যশোরে ইসহাক টাওয়ারের মালিকের বিরুদ্ধে প্রতারনার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোর এম কে রোডের বাসিন্দা ইসহাক টাওয়ারের মালিক জায়দুল হক মনির বিরুদ্ধে প্রতারনার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শহরের বিভিন্ন ব্যবসায়ির কাছ থেকে বাকিতে মালামাল নিয়ে টাকা না দিয়ে তাদেরকে বছরের পর বছর ঘুরাচ্ছে বলে অভিযোগে জানা গেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, জায়দুল হক মনি শহরের এমকে রোডের ৭ তলা বাড়ি নির্মান করার সময় ১০ জন ব্যবসায়ির কাছ থেকে প্রায় ২০ লক্ষাধিক টাকার ইট, বালি, খোয়া, সিমেন্ট, রড ও গ্লাসসহ বিভিন্ন মালামাল নেয়। মালামালের বিপরীতে দুই মাসের কথা বলে চেক দেয়। কিন্তু ৪/৫ বছর পার হয়ে গেলেও জায়দুল ব্যবসায়িদের মালামালের টাকা এখনো পরিশোধ করেননি। পাওনাদাররা টাকা চাইলে আজ না কাল দেব বলে তিনি বিভিন্ন ভাবে ঘুরাতে থাকেন। মোবাইল করলে রিসিভ করে বলা হয় রং নাম্বার। অথচ জায়দুলের নাম্বারেই ফোন করা হয়। ইট বালির ব্যবসায়ি শহরের শংকরপুরের বাসিন্দা শহিদ জানান, তার কাছ থেকে প্রায় ৪ বছর আগে জায়দুল হক মনি সাড়ে ৩ লাখ টাকার ইট বালি সিমেন্ট ও রড নেয়। এ সব মালামাল নেয়ার সময় দুমাসের কথা বলে একটি চেক দেয়। দুমাস পরে টাকা পরিশোধ করে চেক ফেরত নেবে জায়দুল। কিন্তু ৪ বছর পার হয়ে ৫ বছরের পড়েছে অথচ জায়দুল এখনো টাকা পরিশোধ করেনি। টাকা চাইলে আজ না কাল পরে দিচ্ছি এ ভাবে ঘুরাচ্ছেন। ফলে বাধ্য হয়ে তিনি আদালতের স্মরন্নাপন্ন হয়েছেন। একই ভাবে আলম গ্লাস হাউজের মালিক আলমের কাছ থেকে ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকার গ্লাস নিয়েছেন। বিপরীতে একটি চেক দিয়েছেন। কিন্তু ৬ বছর অতিবাহিত হলেও টাকা পরিশোধ করেননি। নাজমা গ্লাস হাউজের কাছ থেকে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকার থাই গ্লাস নেয়। বিপরীতে একটি চেক দেয়। এছাড়া কুইন্স হসপিটাল মসজিদের ঈমাম ইসমাইল হোসেনকে দোকান ঘর দেয়ার কথা বলে সাড়ে ৩ লাখ টাকা নেয়। কিন্তু তাকেও বিভিন্ন ভাবে ঘুরাচ্ছে। এ বিষয়ে ভুক্ত ভোগিরা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। আগামি ১২ জুন আদালতে হাজির হবেন জায়দুল হক। আদালতের রায়ের অপেক্ষায় আছেন পাওনাদাররা।

আরো দেখুন

Advertisment

জনপ্রিয়