নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোরের কেশবপুর কালী মন্দিরের চুরির ঘটনায় আন্তঃজেলা চোর চক্রের এক সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় তার দখল হতে চুরি যাওয়া স্বর্ণ,রুপা ও শাড়ি উদ্ধার করা হয়েছে। যশোর জেলা গোয়েন্দা শাখা ডিবির একটি দল তদন্ত নেমে ৮ জুন শনিবার বিকেলে যশোর উপশহর এলাকায় অভিযান চালিয়ে চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য মোঃ সাকিব মোল্যা ওরফে হাসিব মোল্যাকে গ্রেফতার করে। সে খুলনা জেলার দিঘলিয়া উপজেলার হাজিগ্রামে বর্তমানে তোলানুরপুর এবং উপশহর ডি ব্লক এলাকার জনৈক মাহবুবুল আলম খান এর বাসার ভাড়াটিয়া বাবুল মোল্যার ছেলে। এ সময় তার দখল হতে ২ ভরি ১০ আনা ওজনের সীতাহার, ৩ ভরি ১ আনা ওজনের ১টি রুপার কোমর বিছা,৩ভরি ৫ আনা ওজনের ৫টি রুপার নুপুর,১টি মোবাইল ফোন ও ১টি প্লাস ( ঘর ভাঙ্গার সরাঞ্জাম)। ডিবি সূত্রে জানাগেছে, গত ৯ মে রাতে অজ্ঞাতনামা চোর/ চোরেরা যশোরের কেশবপুর বাজারস্থ সার্বজনীন শ্রী শ্রী কালি মন্দিরে গ্রীল ভেঙ্গে দূর্ধর্ষ চুরি সংঘঠন করে। চোরেরা মন্দিরের ১৩ ভরি ১ আনার স্বর্ণালংকার,১৮ ভরি রুপার অলংকার,২২টি শাড়ী চুরি করে নিয়ে যায়। এ সংক্রান্তে কেশবপুর থানায় একটি চুরি মামলা হয়। যার নং ৩,তারিখ ৯/৫/২৪ইং। মামলার তদন্তর ভার জেলা গোয়েন্দা শাখা ডিবি’র উপর ন্যাস্ত হলে ডিবি’র অফিসার ইনচার্জ রুপন কুমার সরকার মামলাটি এসআই মফিজুল ইসলামের উপর তদন্তর দায়িত্ব দেন। উক্ত এসআইয়ের নেতৃত্বে একটি টিম শনিবার ৮ জুন বিকেলে যশোর উপশহর এলাকায় অভিযান চালিয়ে চোর চক্রের সক্রিয়া সদস্য সাকিব মোল্যাকে ১টি সীতাহার ও রুপার অলংকারসহ গ্রেফতার করেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে সে কেশবপুর কালি মন্দিরে চুরির বিষয়টি স্বীকার করে। পরে তার বাসা থেকে চোরাই ৪টি শাড়ী কাপড় উদ্ধার করা হয়। সে পুলিশকে আরো জানায়,তারা খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলা,থানা এলাকার দোকান,ঘর,বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চুরি করে বেড়ায়। তারা ৬ সদস্যর একটি চোর চক্র কেশবপুর বাজারে উল্লেখিত মন্দিরে চুরি সংঘঠিত করে। সিসি ক্যামেরা ভেঙ্গে ফেলে বলে সে পুলিশকে জানায়। অন্যান্যদের গ্রেফতার ও চুরি যাওয়া আরো মালামাল উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রেখেছে ডিবি পুলিশ।

