সত্য প্রকাশে আপসহীনতার প্রমাণ রেখে প্রতিদিনের কথা আজ ৮ম বছরে পদার্পণ করল। এ আনন্দঘন মুহূর্তে আমরা শুভেচ্ছা জানাই প্রতিদিনের কথা পরিবারের সকল সদস্য, পাঠক, লেখক, বিজ্ঞাপনদাতা, এজেন্ট, হকার ও শুভানুধ্যায়ীদের । যাদের সমর্থন ও সহায়তা ছাড়া বর্তমান তীব্র প্রতিযোগিতাপূর্ণ সংবাদপত্র জগতে প্রতিদিনের কথা প্রতিষ্ঠালাভ সম্ভব হতো না। প্রতিদিনের কথা দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় দৈনিকের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে। ক্রমেই এটি হয়ে উঠছে সব মহলে আলোচিত ও প্রশংসিত একটি দৈনিক। বস্তুনিষ্ঠ খবর এবং মতপ্রকাশে রয়েছে প্রতিদিনের কথার বলিষ্ঠ ও সাহসী ভূমিকা। সত্য প্রকাশ করায় ক্ষুব্ধ হয়ে ‘বিশেষ স্বার্থান্বেষী মহল’ সমালোচনার ঢেউ তোলে । তবু সঠিক ভূমিকা পালন থেকে প্রতিদিনের কথাকে বিরত করা যায়নি। অন্যায়ের কাছে মাথানত করিনি আমরা। নতুন একটি বর্ষে পা রাখার সময় আমরা আবারও সেই অঙ্গীকার ব্যক্ত করছি। যশোরের মত মফঃস্বল শহর হতে প্রকাশিত একঝাঁক পত্রিকার মাঝে প্রতিযোগিতায় টিকতে হলে পত্রিকাকে প্রতিদিনই পাঠকের প্রত্যাশা পূরণে ভূমিকা রাখতে হয়। আগামীতেও সে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার প্রত্যয় রাখে প্রতিদিনের কথা। আপস না করে জনস্বার্থে সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতা করে আসছে প্রতিদিনের কথা। প্রতিদিনের কথার কাছে দেশের স্বার্থ সবসময়ই সবকিছুর ঊর্ধ্বে স্থান পেয়েছে। ঘটনার গভীরে গিয়ে সত্যানুসন্ধানের ক্ষমতা প্রতিদিনের কথাকে করে তুলেছে বিশিষ্ট। জনগণ চায় সম্ভাব্য সব ধরনের উন্নয়ন। এ লক্ষ্য অর্জনে সংবাদপত্রকে সহায়ক শক্তি হিসাবে পাশে দেখতে চায় তারা। আমাদের মতো দেশে সংবাদপত্রের সাহসী ও দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রয়োজন অনেক বেশি। এটা গভীরভাবে উপলব্ধি করেই পথ চলছি আমরা। পাঠকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত করে বলিষ্ঠতার সঙ্গে এগিয়ে যাবে প্রতিদিনের কথা, নতুন বর্ষে এটাই আমাদের অঙ্গীকার।

