চৌগাছা প্রতিনিধি
যশোরের চৌগাছায় ৮৮ লক্ষ টাকার রাস্তার কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।উপজেলার সদও ইউনিয়নের টালীখোলা থেকে কয়ারপাড়া পর্যন্ত নিম্নমানের খোয়া ও নিম্নমানের বালি ব্যবহার করে মেসার্স জাকাউল্লাহ এন্ড ব্রাদারস্ লিমিটেড কাজ পরিচালনা করছে বলে জানা যায়। রাস্তার কাজে অনিয়ম হওয়াই এলাকাবাসী একাধিকবার কাজ করতে বাধা দিলেও তয়াক্কা করছে না ঠিকাদার রবিউল ইসলাম। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,মুক্তিযুদ্ধের ৫৩ বছর পার হইলেও টালীখোলা থেকে কয়ারপাড়া গ্রামে রাস্তা পাকা করনের দেখা মেলেনি এলাকাবাসীর। ২০২২-২৩ অর্থ বছরে রাস্তা পাকা করণে টেন্ডারের মাধ্যমে দায়িত্ব দেওয়া মেসার্স জাকাউল্লাহ এন্ড ব্রাদারস্ ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে। পরবর্তীতে ঠিকাদারী প্রতিঠানের নিকট থেকে দায়িত্ব নেন স্থানীয় সান এন্টারপ্রাইজের সত্ত¦াধিকার রবিউল ইসলাম। কাজ শুরুর থেকেই অনিয়ম করেন এই ঠিকাদার। তিন থেকে চার নম্বর ইটের খোয়া দিয়ে রাস্তার কাজ করছিলেন এই ঠিকাদার। নিয়ম অনুযায়ী ৬ ইঞ্চি খোয়া দেওয়ার কথা উল্লেখ থাকলেও নিম্ন মানের বালুর পরিমান বেশি দিয়ে পরিমান অনুযায়ী খোয়া ব্যবহার করছিলেন না এই ঠিকাদার। স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে রাস্তার কাজ বন্ধ করতে বাধ্য হন এই ঠিকাদার। কাজে অনিয়ম না করার শর্তে কাজ শুরু করতে দিলে আবারও অনিয়ম করেন এই ঠিকাদার বলে জানায় একাধিক স্থানীয়। স্থানীয় ইউপি সদস্য হাসানুর রহমান বলেন, এইটা আমাদের স্বপ্নের রাস্তা। কিন্তু সেই রাস্তায় এমন নিম্ন মানের কাজ মেনে নেওয়া যায় না। খোয়া এবং বালু কোনোটাই ভালো মানের ব্যবহার করছে না। এলাকাবাসী আমাকে বার বার রাস্তার নিম্নমানের কাজ নিয়ে অভিযোগ করছে। আমরা একাধিকবার কাজ বন্ধ করেছি, উপজেলা সহকারী প্রকৌশলীকে অবগত করেছি তারপর এমন নিম্নমানের কাজ চলছে রাস্তায় এ যেন দেখার কেউ নেই। এবিষয়ে ঠিকাদার রবিউল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি নিম্নমানের ইট ও বালু ব্যবহারের কথা স্বীকার করে বলেন, ১০০ গাড়ী ইট কিনলে ২০ গাড়ী নিম্নমানের ইট থাকে। আমি আপনার সাথে দেখা করে সরাসরি একটু কথা বলবো। এবিষয়ে উপজেলার সহকারী প্রকৌশলী রিয়াসাত ইমতিয়াজ বলেন, আমি রাস্তার কাজে অনিয়ম হচ্ছে এমন অভিযোগ পেয়েছি। সরজমিনে গিয়ে বিষয়টি দেখবো। নিম্নমানের ইট ও বালু ব্যবহারের সত্যত্বা মিললে ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

