উত্তম চক্রবর্তী, রাজগঞ্জ
বুধবার মধ্য রাত থেকে বৃহস্পতিবার দিনভর টানা বৃষ্টিতে যশোরের মণিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জ বাজার সহ নিচু এলাকায় হাটু পানিতে রুপ নিয়েছে।বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার সারাদিন রাস্তাঘাটে যানবহন কম চলাচল করতে দেখা গেছে। নিতান্তই কাউকেই বাড়ী থেকে বের হতে দেখা যায়নি। এছাড়া যারা দিন আনে দিন খায় এদের জন্য বৃষ্টি কাল হয়ে দাড়িয়েছে। উপজেলার রাজগঞ্জ এলাকায় ছোট বড় দিয়ে কয়েক হাজার মৎস্য ঘের রয়েছে। অতি বৃষ্টির কারণে এসব ঘেরগুলি তলিয়ে গেছে। অনেকে নেট পাটা দিয়ে মাছ আটকাতে পারলেও কেও কেও নেট পাটা দিতে না পারায় তাদের ঘের পার্শ্ববর্তী ঘেরের সাথে একাকার হয়ে গেছে। এদিকে আবহাওয়া যাদের দরকার তারা হৃাড়া আর অফিস থেকে শোনা যাচ্ছে শনিবার পর্যন্ত এই নিম্নচাপ থাকতে পারে। বৃষ্টির দোহাই দিয়ে মালের দর কেজি প্রতি ২/৩ টাকা বাড়লেও সবজির বাজারে যেন আগুন। সবজির বাজার ঘুরে দেখা যায়, পটল প্রতি কেজি ৪০ টাকা, বেগুন ৬০ টাকা, কাঁচা মরিচ ২০০ টাকা, কচুর মুখি ৮০ টাকা, কুমড়া ৩৫ টাকা, কিয়া ৩০ টাকা, কচুর লতি ৪০ টাকা, ওল ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ৩৫ টাকা, আমড়া ৩০ টাকা, আলু ৭০ টাকা, করলা ১০০ টাকা। দ্রব্য মূল্যের দাম বৃদ্ধির পিছনে হাত রয়েছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর। এসব ব্যবসায়ীরা রাতারাতী আঙুল ফুলে হচ্ছে কলাগাছ। মনিটরিং সেদের জরুরী প্রয়োজন বলে মনে করেন সবজির বাজারে আগত ক্রেতাসাধারণ।

