৯ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ  । ২২শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ 

লোহাগড়ায় জমি দখল ও বাড়ি ভাংচুর থানায় অভিযোগ: ১৪৪ ধারা জারি

রেজাউল করিম, লোহাগড়া
নড়াইলের লোহাগড়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের জমি দখল, বাড়ী ও পারিবারিক পূজা ঘর ভাংচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে ভূমি দস্যুদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের ও আদালত ১৪৪ ধারা জারি করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে ,লোহাগড়া উপজেলার আখড়াবাড়ী গ্রামের মৃত সতিশ সরকারের ছেলে অরুন সরকার ও বিশ্বনাথ সরকার দিঘলিয়া মৌজার ৮৯৫ খতিয়ানে ৩১৩৮ দাগে ৬৭শতক পৈত্রিক জমিতে ধীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছে। ওই জমির একটি জ্বাল দলিল করে ভূমি দস্যু কালিয়া উপজেলার কলামনখালী গ্রামের আলী আহম্মেদ শেখ, লোহাগড়ার কুমড়ি গ্রামের বনি শেখ,রিয়াজুল শেখ এবং মিরাজ শেখ গত বছর দখলের চেষ্টা করে। এ ঘটনায় অরুন সরকার আদালতে একটি দেওয়ানী মামলা করেন (মামলা নং ৫৪/২০২৩)। এরপর ওই ভূমি দস্যুরা গত বৃহস্পতিবার লাঠিশোটাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পুনরায় জমি দখলের চেষ্টা করে। এ সময় অরুনের গোয়লঘর ও পারিবারিক পূজা ঘর ভাংচুর করে ট্রাক্টর লরিতে করে মাটি ফেলতে থাকে। বাধা দিলে অরুন ও তার স্ত্রী পূর্ণিমাকে গালিগালাচ ও মারধর করতে যায়। খবর পেয়ে লোহাগড়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যেয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়।এ ঘটনায় অরুন সরকার বাদী হয়ে লোহাগড়া থানায় অভিযোগ দিয়েছে এবং শান্তি ভংঙ্গের আশংঙ্খায় আদালতে আবেদন করলে আদালত ১৪৪ ধারা জারি করেছেন। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত আলী আহম্মেদ শেখ জানান,উক্ত জমি অরুনসহ তার চার ভাইয়ের কাছ থেকে ২০০৭ সালে টাকা দিয়ে খরিদ করে পরবর্তিতে কুমড়ি গ্রামের মিরাজ গংয়ের কাছে বিক্রি করে দিয়েছি।মিরাজ শেখ বলেন, ক্রয়কৃত জমিতে মাটি ভরাট করতে গিয়েছিলাম,বাড়ী ও মন্দির ঘর ভাংচুরের কোন ঘটনা ঘটেনি। লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাঞ্চন কুমার রায় বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার্থে আদালত বিরোধপূর্ণ জমিতে ১৪৪ ধারা জারি করেছেন।

আরো দেখুন

Advertisment

জনপ্রিয়