নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোরের এজেআর পার্সেল এন্ড কুরিয়ার সার্ভিস থেকে ৪ হাজার ২১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারের মামলায় তিনজনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। মামলার তদন্ত শেষে আদালতে এ চার্জশিট জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শরীফ আল মামুন।
অভিযুক্ত আসামিরা হলো, যশোরের শার্শার টেংরা জামতলা এলকার মৃত ফজলে বেপারির মেয়ে ও শহরের রেলগেট এলাকার ওয়াসিম গাজীর স্ত্রী ফিরোজা বেগম, বেজপাড়া টিবি ক্লিনিক এলাকার মৃত আসাদ হোসেন ওরফে ফজলা বেপারির মেয়ে ও চাঁচড়া রায়পাড়া তেঁতুলতলা এলাকার ভাড়াটিয়া শহিদুল ইসলাম হিরার স্ত্রী ছন্দা বেগম ওরফে সন্ধা বেগম ওরফে বৃষ্টি ওরফে ফরিদা ও ভোলা চরফ্যাশানের আমিনাবাদ গ্রামের জয়নাল হাওলাদারের মেয়ে ও চট্টগ্রাম চাঁন্দগাঁও থানার ফরিদাপাড়ার ভগ্নিপতি আব্দুর রহিমের বাড়ির বাসিন্দা নাহিদ হোসেন।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, গত ৪ ফেব্রুয়ারি দুপুর যশোর ক্যাম্পের র্যাব গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপশহরের এজেআর পার্সেল এন্ড কুরিয়ার সার্ভিসে অভিযান চালায়। এসময় পার্সেল নিয়ে যাওয়ার কুরিয়ারের সামনে থেকে সহেন্দহজনক ভাবে ফিরোজা বেগমকে আটক করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে সাবানের মোড়কের ভেতরে অভিনব কৌশলে রাখা ইয়াবা ৪ হাজার ২১০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার হয়। আসামি নাহিদ হোসেন এজেআর পার্সেল এন্ড কুরিয়ার সার্ভিসের চট্টগ্রাম পাঁচলাইশ মুরাদপুর শাখায় ইয়াবা ট্যাবলেট চালান আসামি ফিরোজা বেগমের নামে বুকিং দিয়েছিল। এ ঘটনায় আটক ফিরোজা বেগমকে আসামি করে র্যাবের এসআই মিহির কান্তি হাওলাদার বাদী হয়ে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে কোতয়ালি থানায় মামলা করেন। এ মামলার তদন্ত শেষে আটক আসামির দেয়া তথ্য ও সাক্ষীদের বক্তব্যে ওই তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে এ চার্জশিট জমা দিয়েছেন। চার্জশিটে অভিযুক্ত ছন্দা বেগমকে পলতাক দেখানো হয়েছে।

