রুহুল আমিন, যবিপ্রবি
ভিন্ন ভিন্ন ইস্যুকে কেন্দ্র করে আন্দোলন করছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) সাধারণ শিক্ষার্থীরা। কোটা আন্দোলনে উষ্কানিমূলক মন্তব্যের কারণে কেমিকৌশল বিভাগের শিক্ষক সুজন চৌধুরীর বিরুদ্ধে ও জনসংযোগ শাখার গোপনীয় লকারের চাবি লোপাটের কারণে কর্মকর্তা হায়াতুজ্জামান মুকুলের বিরুদ্ধে পৃথকভাবে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ শাখার গোপনীয় লকারের চাবি ও অফিসের তালা চাবি লোপাটের অভিযোগ উঠে নিয়োগ বানিজ্যে জড়িত হায়াতুজ্জামান মুকুলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জনসংযোগ শাখা, মুকুলের বর্তমান কর্মস্থল প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অফিসে গিয়েও মুকুলকে খুঁজে পাননি। এসময় তারা অনুষদটির ডিন, ও বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মোঃ আহসান হাবীবের সাথে সাক্ষাৎ করে ঘটনা অবহিত করে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। উল্লেখ্য, মুকুল নিয়োগ বাণিজ্যের সাথে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় তাকে ডিন অফিসে বদলি করা হয়েছিল। জানা যায় তিনি ২৭ আগস্ট দুপুরে জনসংযোগ শাখার গোপনীয় নথি থাকা লকারের চাবি নিয়ে যান, যা নিয়ে সংশ্লিষ্ট দফতরে কর্মরতরা গুরুত্বপূর্ণ নথি গায়েব হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে হায়াতুজ্জামান মুকুল বলেন, “আমি কোনো তালা চাবি নেইনি।” তবে ক্যাম্পাসে তার কর্মকাণ্ড নিয়ে শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন তুলেছেন এবং তাকে খুঁজতে গিয়ে তাকে ডিন অফিসে পাওয়া যায়নি। সার্বিক বিষয়ে যবিপ্রবির রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মোঃ আহসান হাবীব বলেন, ‘প্রকৌশল অনুষদের ডিন অফিসে কর্মরত জনাব হায়াতুজ্জামান মুকুল জনসংযোগ শাখার স্টোর রুমের চাবি এবং ৩০৪ নং কক্ষের তালাচাবি নিয়ে গেছে বলে মৌখিকভাবে জেনেছি। তার বর্তমান কর্মস্থল সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান, জনসংযোগ শাখাতে বদলি করা হয়নি। প্রকৌশল অনুষদই তার বর্তমান কর্মস্থল।’ কেমিকৌশল বিভাগের শিক্ষককে অব্যাহতির প্রসঙ্গে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের তিনি বলেন, রেজিস্ট্রার হিসেবে আমার দায়িত্বের ভিতরে কোন শিক্ষককে অব্যাহতির বিষয় পড়ে না। ভিসি বা ডিনদের দায়িত্ব এসব বিষয় দেখা। আমরা শীঘ্রই হয়তো ভিসি পাবো, লিখিত অভিযোগ দাও, আমরা ভিসি স্যার নিয়োগ পেলে তাকে এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বলবো।

