উৎপল মণ্ডল, শ্যামনগর
সাতক্ষীরা’র শ্যামনগর উপজেলার রমজানগর ইউনিয়নের নুর আলী মোড়লের ছেলে মোঃ সাহাবুদ্দিন মোড়লের মিথ্যা হয়রানি মূলক মামলা থেকে রেহাই পেতে শ্যামনগর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছে।(রবিবার)১লা সেপ্টেম্বর সকাল ১১ টায় প্রেসক্লাব হল রুমে পাতড়াখোলা গ্রামের বারী গাজীর ছেলে মুকুল গাজী লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন এ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন, আবু জাফর মোড়ল, বাসার মোড়ল, কামরুল ইসলাম,আফসার,কাদের ঢালী, রফি গাজী, তুহিন, মফিজুর গাইন, আব্দুর রহিম, বাক্কার বাউলিয়া। লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমরা প্রতি প্রত্যেকে আওয়ামী সরকারের আমলে একাধিক নাশকতা মামলার আসামী হিসাবে অন্তর্ভুক্ত আছি। বিগত ১৬ বছর যাবৎ আওয়ামী সরকারের পুলিশ সহ এলাকার পাতি নেতাদের দ্বারা বিভিন্ন ভাবে বৈষম্যের স্বীকার হয়েছি। তাছাড়া আমরা কয়েকজন জামায়াত বি,এন,পি’র কোন না কোন পদেই বহাল আছি।
রমজানগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতির প্রায়ত ফজলুল হক মোড়লের আপন ছোট ভাই পাতড়াখোলা গ্রামের নুর আলী মোড়ল ছেলে সাহাবুদ্দীন মোড়ল ওয়ার্ড জামায়েত এর রোকন সেজে গত ৪টা আগস্ট বিকাল ৪ টার সময় উল্লেখে আমাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামীর অফিস আগুন ধরিয়া পুড়িয়া দেওয়া সহ চাঁদা ও মারপিটের ঘটনা উল্লেখ করে শাহাবুদ্দিন মোড়ল বাদী হয়ে আমাদেরকে আসামি করে বিজ্ঞ আমলী ০৫ নং আদালত, সাতক্ষীরা বরাবর সি.আর- ৬১৮/২৪ (শ্যাম:) মামলা রুজু করেছে। কিন্তু প্রকৃত পক্ষে সাহাবুদ্দীন মোড়ল যেখানে ঘটনাস্থল উল্লেখ করে মামলা করেছে সেখানে আদৌ কোন জামায়াতে ইসলামের অফিস ছিল না বা এখন ও নেই। তাহা ছাড়া ঐ মামলায় যাদেরকে স্বাক্ষী করেছে তারা স্থানীয় ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের পদে বহাল আছে। স্বাক্ষী ফারুক হোসেন রমজাননগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ২০ নং সদস্য, ২নং স্বাক্ষী সালাউদ্দীন মোড়ল ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং বাদীর পুত্র। ৩নং স্বাক্ষী মোশারাফ হোসেন মোল্যা এলাকার কুখ্যাত দালাল হিসাবে চিহ্নিত,৪নং স্বাক্ষী আনারুল গাজী ১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক, ৫নং স্বাক্ষী রশিদ শেখ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবয় বিষয়ক সম্পাদক,৬নং স্বাক্ষী হাবিবুর রহমান ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হিসাবে স্ব-স্ব পদে বহাল আছে। বাদী সাহাবুদ্দীন মোড়ল তার পরিবারের অপকর্মের বিষয় গুলো আড়াল রাখার জন্য স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ব্যবহার করে ব্যক্তি স্বার্থ হাসিল করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা হয়রানী মূলক মামলা দিয়েছে। মিথ্যা হয়রানী মূলক মামলার হাত থেকে পরিত্রান ও শান্তিতে বসবাস করিতে পারি তার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করছি।এবিষয়ে রমজানগর ইউনিয়নের বাংলাদেশ জামাতে ইসলাম এর ৪নং ওয়ার্ড সভাপতি ডাক্তার আবু কাওসারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, শাহাবুদ্দিন মোড়ল বাংলাদেশ জামাত ইসলামের কোন রকোন নয়, তিনি আমাদের সংগঠনের কেউ না। তিনি সংগঠনের নাম পরিচয় দিয়ে যদি কোন মামলা করে থাকে তার দায়ভার তাকেই নিতে হবে। এর জন্য সংগঠন দায়ী নয়। আমি ঘটনাটি শোনার পরে উপজেলা জামাত ইসলামের আমিরের সাথে কথা বলেছি বিষয়টি তিনি দেখবেন বলে জানিয়েছেন।

