মাজাহারুল ইসলাম মিথুন, পাইকগাছা
পিতার ব্যাবসায়ী কাজে উদ্বুদ্ধ হয়ে লেখাপড়া শেষ করেই চাকরির পিছনে না দৌড়ে চিংড়ী চাষে ঝুকে পড়েন উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত যুবক গোলাম কিবরিয়া রিপন। এ ব্যাবসায়ে অসমান্য অবদান রেখে হয়েছেন অসংখ্য প্রতিষ্ঠানের মালিক। খ্যাতি অর্জন করেছেন শিল্পপতি ও দানবীরের এবং পুরস্কৃত হয়েছেন বার বার। যার ইচ্ছে ছিলো ব্যাবসা করে নিজে প্রতিষ্ঠিত হবেন এবং নিজেই করবেন বেকারদের কর্মসংস্থান। নিজের লক্ষ্য কে বাস্তবায়ন করতে তিনি তার ব্যক্তি জীবনে কঠোর পরিশ্রম ও মেধা দিয়ে গড়ে তুলেছেন একাধিক প্রতিষ্ঠান। গোলাম কিবরিয়া রিপন খুলনার বয়রার রায়ের মহলের ছেলে। পিতা ছিলে চাউল আড়তের মালিক।লেখা পড়ায় মেধাবী ও সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান তিনি। তিনি খুলনা নৌ বাহিনী স্কুল থেকে মাধ্যমিক,খুলনা বিএল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিজিক্স বিষয়ে স্মাতকোত্তর ডিগ্রী নিয়ে কৃতিত্বের সাথে পাশ করেন। এরপর তিনি চাকুরির পিছনে না দৌড়েয়ে নেমে পড়েন বাগদার পোনা ব্যাবসায়ে।তার নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়্যাল ফিস ট্রেডিং ও রয়্যাল কালচার নামে দুটি প্রতিষ্ঠানে কক্সবাজার থেকে বিভিন্ন কোম্পানির বাগদার পোনা বিক্রি শুরু করে। চালনাতে প্রতিষ্ঠিত করে গার্লভ হ্যাচারি। এর মধ্যে পাইকগাছা ও কয়রা উপজেলায় ১৮ ‘শ বিঘার ৬ টি বাগদা চিংড়ী ঘের রয়েছে।। যেখান থেকে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা আয় করছে। ২০২৪ সালে ৫ কোটি ২০ লাখ টাকার চিংড়ী উৎপাদন করেন। প্রতিষ্ঠান গুলোতে স্থায়ী ভাবে ৭৬ জন কর্মচারী নিয়োজিত রয়েছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অর্থ সম্পাদ দান করে ৫০ বছর বয়সে তিনি দানবীর খ্যাতি অর্জন করেছেন। ছাত্রদলের খুলনা মহানগর কমিটির সাবেক এ নেতা বিএনপির এ চরম দুর্দিনে অর্থ যোগান দিয়ে বিএনপিকে অনেক সহযোগিতা করেছেন। এদিকে কয়রা ও পাইকগাছা উপজেলায় লবণ পানির চিংড়ী চাষ বন্ধের চক্রান্ত শুরু করেন তৎকালীন সংসদ সদস্য রশীদুজ্জামান মোড়ল। যার বিরুদ্ধে চিংড়ী চাষ অব্যহত রাখার দাবীতে চিংড়ী চাষী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আন্দোলন গড়ে তোলেন।

