১৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ  । ৩০শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ 

মালয়েশিয়ায় পাঠানো কথা বলে স্বামী-স্ত্রীর বিরুদ্ধে লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

শামিম হোসেন, কুয়াদা
চাকরির লোভ দেখিয়ে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর কথা বলে প্রায় ১৫/২০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে স্বামী স্ত্রীর বিরুদ্ধে। ৬ জনের কাছ থেকে তারা এ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে প্রতি নিয়ত ভিড় করছে দালাল মেহেদী হাসানের বাড়িতে। বিদেশ নেওয়া কথা বলে টাকা ও পাসপোর্ট হাতিয়ে নিয়ে মালয়েশিয়া চলে যান যশোর মণিরামপুর উপজেলার হরিহরনগর ইউনিয়ন পূর্বপাড়া গ্রামের আব্দুল সাত্তারের ছেলে মেহেদী হাসান, ছুটিতে বাড়ি আসার কথা শুনে ভূক্তভুগীরা ভিড় করছে তার বাড়িতে, মাণিরামপুর থানায় অভিযোগ করেছে এক ভুক্তভোগী শামিম হেসেন তিনি বলেন ধার দেনা করে আমার খালাতো ভাইয়ের জন্য টাকা দিয়েছিলাম তিন মাসের কথা বলে তিন বছর হয়ে গেছে আমার খালাতো ভাইয়ের পাসপোর্ট ও টাকা ফেরত দেইনি, ওল্টো তার স্ত্রী স্বার্ণা আক্তার মণি তার বিরুদ্ধে মামলা করে দিতে বলেছেন। অভিযোগে জানা যায়, যশোর মণিরামপুর হরিহরনগর ইউনিয়নের পূর্বপাড়া গ্রামের মো আব্দুল সাত্তারের ছেলে মেহেদী হাসান মালয়েশিয়ায় থাকেন। সেখানে তার সঙ্গে পরিচয় হয় ভুক্তভোগী বাবার সাথে তিনিও মালয়েশিয়া প্রবাসী মণিরামপুর ভোজগাতী ইউনিয়নের জামজামি গ্রামের জামাল হোসেনের সাথে। পরিচয়ের সুবাদে দু’জনের মধ্যে সখ্যতা গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে মেহেদী হাসান ভিসা সংগ্রহ করে মালয়েশিয়ায় লোক পাঠানোর প্রস্তাব দেয় জামাল হোসেনকে । পরে ২০২২/২৩ সালে জামাল হোসেন তার ছেলে শামিম হোসেনকে যোগাযোগ করতে বলেন মেহেদী হাসানের সাথে । তার খালাতো ভাই শাহিনুর রহমানকে মালয়েশিয়া পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়। তখন দালাল মেহেদী হাসান মালয়েশিয়া থেকে দেশে আসলে। মালয়েশিয়া পাঠানো বাবদ ৪লক্ষ ৫০হাজার টাকা মৌখিক চুক্তি হয় । এতে দু’পক্ষই রাজী হয়। পরে শামিম হোসেনকে রাজগন্জ আসতে বলেন মেহেদী হাসান শামিম হোসেন তার হাতে তার খালাতো ভাইয়ের পাসপোট ও ৫০ হাজার টাকা তুলে দেন মেহেদী হাসানের হাতে আর বাকি টাকা তার স্ত্রী স্বণা আক্তার মণির ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠাতে বলেন, শামিম হোসেন দুই দফায় তার স্ত্রীর একাউন্টে ২ লক্ষ টাকা পাঠিয়ে দেন। এমন করে মেহেদী হাসার তার পাড়া প্রতিবেশি ভাইপো রাকিবের কাছ থেকে ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা নিয়েছে মেহেদী হাসান। এমন করে আব্দুল মতিন, আলমগীর হোসেন, শফিউর,শামিম হোসেন, শাহিনুর রহমান
মোট ৫ থেকে ৬ জনের কাছ থেকে ভিসা হয়ে গেছে বলে টাকা নেয় । প্রায় ১৫ / ২০ লক্ষ টাকা নিয়ে তিনি মালয়েশিয়া পালিয়ে যায়। শামিম হোসেন তার পালিয়ে যাওয়ার খবর শুনে তার বাড়িতে যান, তার স্ত্রী স্বর্ণা আক্তার মণি টাকা ফেরত দেবে বলে শামিম হোসেন কে ঘুরাতে থাকে। প্রতারক মেহেদী হাসান বাসায় ফিরেছে কথা শুনে শামিম হোসেন তার স্ত্রীর কাছে ফোন করলে ১ সপ্তাহে মধ্যে টাকা দিবে ফোন কেটে দেয় শামিম হোসেন তার বাড়িতে গেলে তাকে খুন গুম করার হুমকি দেয় তখন তিনি কোন উপায় না পেয়ে প্রতারক মেহেদী হাসান ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে গত শুক্রবার মণিরামপুর থানায় অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানান কিন্তু এখনো কোন ব্যাবস্হা নেয়নি প্রসাশন। তিনি আরো বলেন এদের মতো দালালরা হাজারো পরিবারের ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছে, তিনি প্রসাশনের সুদৃষ্টি কামনা করছেন।

আরো দেখুন

Advertisment

জনপ্রিয়