উত্তম চক্রবর্তী, রাজগঞ্জ
অতি বর্ষণের ফলে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় যশোরের মণিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জ অঞ্চলে বর্ষাকালীন সবজির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। যার প্রভাব পড়েছে বাজারে। তবে সরবরাহ কিছুটা থাকলেও কয়েকদিনের ব্যবধানে প্রতিটি সবজির দাম কেজিতে ১৫ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। এর মধ্যে কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে দ্বিগুণ। সরেজমিনে রোববার (১৩ জুলাই) সকালে রাজগঞ্জ বাজার ঘুরে দেখা গেছে- খুচরা বাজারে প্রকারভেদে কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা থেকে ২৩০ টাকা কেজি। এক সপ্তাহ আগে যার দাম ছিল ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি। এছাড়া বেগুন ১০০ টাকা, টমেটো ১৫০ টাকা, আলু ২৫ টাকা, দেশী ওল ১৩০ টাকা, দেশী মাদ্রাজ ওল ১০০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, পেঁপে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, কাঁচা কলা ৫৫ টাকা, গাজর ১৫০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪৫ থেকে ৫৫ টাকা, কাকরোল ৮০ টাকা, কচুরমুখি ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, ঝিঙ্গে ৬০ টাকা, পল্লা ৩০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ টাকা, লাউ প্রতি পিচ ৫০ টাকা, কেওড়া ৪০ টাকা এবং উচ্ছে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া লেবু একপিস ৩ টাকা, পুইশাক এক আটি ২৫ টাকা, লাল শাক এক আটি ২০ টাকা, এবং ৪০/৪৫ টাকা দামের খিরাই বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি। এক সপ্তাহ আগে এসব সবজি কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা কমে বিক্রি হয়েছে। তবে স্থিতিশীল রয়েছে পেঁয়াজ, রসুন ও আদার দাম। খুচরা বাজারে দেশি পেঁয়াজ ৫০ টাকা, রসুন প্রকারভেদে ৮০ টাকা থেকে ১১০ টাকা এবং আদা বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজিতে। এছাড়া আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে অন্যান্য মশলা জাতীয় পণ্য। ফলে মসলায় স্বস্তি থাকলে ক্রেতাদের নাভিশ্বাস উঠছে সবজির দাম। বাজারে হঠাৎ করে সবজির দাম বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন নিন্ম আয়ের সাধারণ ক্রেতারা। রাজগঞ্জ বাজারে সবজি কিনতে আসা এক ক্রেতা জানান- মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে প্রতিটি সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। হঠাৎ করে দাম বাড়ায় বিপাকে পড়েছেন আমাদের মত সাধারণ ক্রেতারা। বাজারে সবজির দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে কিনা তা মনিটরিং করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। বাজারে সবজি কিনতে আসা আরো অনেক ক্রেতারা জানান- হঠাৎ করে বাজারে সবজির দাম বেড়েছে প্রায় দ্বিগুন।

