নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোরে সাকিব হাসান বাবু নামে এক যুবককে কৌশলে অপহরণ করে চঁাদা দাবি এবং চাঁদা নেয়ার সময় ইমন খান (২২) নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশে দিয়েছে সদর উপজেলার রাজাপুর ফুলতলা বাজারের লোকজন। ইমন যশোর শহরের পুরাতন কবসা লিচুবাগান এলাকার আলমগীর হোসেনের ছেলে। বর্তমানে সে ঢাকার সাভারের রেডিও কলোনীর চার নম্বর ওয়ার্ডের জামাল হোসেনের বাড়ির ভাড়াটিয়া। আর সাকিব হাসান বাবুর বাড়ি খুলনায়। বর্তমানে তিনি ঢাকার সাভারে থাকেন। এই ঘটনায় তিনি দুইজনের নাম উল্লেখ করে আরো অজ্ঞাত ৩/৪ জনের নামে কোতয়ালি থানায় মামলা করেছেন। অপর আসামির নাম রাজা। তার বাড়ি যশোর সদর উপজেলার ফুলবাড়ি কলোনীর মোড়ে। ফুলবাড়ি পুলিশ ক্যাম্পের এসআই তাপস কুমার আঢ্য জানিয়েছেন, গত ২৬ জুলাই সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সাকিব হাসান বাবু ও আসামিরা একই পরিবহনে করে যশোরে আসেন। সাকিব হাসানের উদ্দেশ্য খুলনায় যাওয়া আর আসামিদের উদ্দেশ্য যশোরে আসা। সাকিব ও ধৃত ইমন বাসের পাশাপাশি সিটে বসে। সেখানে বসা অবস্থায় সাকিবের মুখে পানি জাতীয় কিছু দিয়ে তাকে অন্য মনষ্ক করে ফেলে। তারা সাকিবকে দুপুর সাড়ে তিনটার দিকে উপশহর বাসস্ট্যান্ডে নামিয়ে একটি লেগুরায় উঠায়। এরপর সাতমাইল বাজারে যায়। সেখানে তাকে জোর পূর্ব ইয়াবা সেবন করায়। তারপর ললিতাদহ গ্রামের একটি নির্মানাধীন বাড়িতে আটকে রেখে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। সাকিব তার চাচার কাছে ফোন দেয় এবং ৫ হাজার টাকা বিকাশে আনে। এরপর ওই টাকা উঠানোর জন্য ফুলতলা বাজারের একটি বিকাশ এজেন্টের কাছে যায়। সে সময় সাকিব বিকাশ এজেন্ট আব্দুর রশিদের পা জড়িয়ে ধরেন এবং তাকে বঁাচাতে বলেন। সে সময় লোকজন ইমনকে আটক করে। আর রাজা নামে অপর আসামি কৌশলে পালিয়ে যায়। তাকে গণপিটুনি দেয় লোকজন। এরপর পুলিশে সংবাদ দিলে তিনি সেখানে গিয়ে ইমনাকে হেফাজতে নেন। এই ঘটনায় সাকিব একটি মামলা করেছেন। এসআই তাপস কুমার আঢ্য আরো জানিয়েছেন, আটক ইমনকে রোববার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
