নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোরের রাজারহাটে সিআইডি পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় সন্দেহভাজন দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে সদর উপজেলার বসুন্দিয়া মোড় থেকে ইব্রাহিম নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে শাওন নামে আরেক আসামিকে আটক করা হয়। আটক ইব্রাহিম জঙ্গলবাধাল গ্রামের সালাম হোসাইনের ছেলে। শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) তাকে আদালতে সোপর্দ করে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই কামরুজ্জামান। তিনি জানান, সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ইব্রাহিমকে শনাক্ত করা হয়। শাওনের বাড়ি খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার হাসানপুর গ্রামে হলেও তিনি বর্তমানে যশোর শহরতলীর রাজারহাট এলাকায় বসবাস করেন। তদন্তকারীরা জানান, হামলার দিন শাওন যে পোশাক পরেছিলেন, তা উদ্ধার করা হয়েছে। গত বুধবার সন্ধ্যায় রাজারহাট এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে সিআইডি পুলিশ ২০ পিস ইয়াবাসহ কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী তুষার সরদারকে আটক করে। এসময় তার সহযোগীরা সিআইডি সদস্যদের ওপর হামলা চালিয়ে তুষারকে ছিনিয়ে নেয়। এমনকি হামলাকারীরা কনস্টেবল শহিদুলকে রশি দিয়ে হত্যার চেষ্টা চালায়। এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে শাওন ও ইব্রাহিমকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে বলে তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। তবে ঘটনার মূল হোতা তুষার সরদার এখনও পলাতক। সিআইডি সূত্র জানায়, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও রামনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদ হাসান লাইফের আশ্রয়ে দীর্ঘদিন ধরে তুষার মাদক ব্যবসায় জড়িত। তার বিরুদ্ধে পূর্বেও দুটি মামলা রয়েছে। যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি আবুল হাসনাত খান বলেন, “ঘটনার পর একাধিক টিম অভিযান চালিয়েছে। দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রধান আসামি তুষারকে ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে। সিআইডি যশোরের পুলিশ সুপার (অ্যাডিশনাল ডিআইজি) সিদ্দিকা বেগম জানান, ঘটনার তদন্তে পুলিশের পাশাপাশি সিআইডির বিশেষ টিমও কাজ করছে।

