অপূর্ব মৃন্ময়
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা বিভাগে মোট আসন ৩৬টি। এসব আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীর সংখ্যা ২০১। এর মধ্যে নারী প্রার্থী রয়েছেন ৭ জন। এর আগে দ্বাদশসহ গত ৪টি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলার ৬টি আসনে নারী প্রতিদ্বন্দ্বীর হার ছিল সাড়ে ৬ শতাংশ। নবম থেকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা বিশ্লেষণে এ তথ্য উঠে এসেছে। নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, যশোরসহ খুলনা বিভাগের ১০ জেলার ৩৬ সংসদীয় আসনের চিত্র প্রায় অভিন্ন। নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মধ্যে বিএনপির একজন, জাতীয় পার্টির দুজন, গণফোরামের একজন, বাসদের একজন এবং বাংলাদেশ রিপাবলিক পার্টির (বিআরপি) একজন নারীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন একজন। নির্বাচনে বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, নড়াইল জেলার সংসদীয় আসনগুলোতে কোনো নারী প্রার্থী নেই। নারী প্রার্থী হয়েছেন, যশোরে একজন, ঝিনাইদহে ২ জন, মাগুরায় একজন, খুলনায় একজন, নড়াইলে একজন এবং কুষ্টিয়ায় একজন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা বিভাগের যশোর জেলার ৬টি আসনে ৩৬ জন প্রার্থীর মধ্যে যশোর-২ আসনে বিএনপি মনোনীত একমাত্র নারী প্রার্থী বিএনপির সাবিরা সুলতানা মুন্নী। এবারের নির্বাচনে খুলনা জেলার ৬টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৩৮ জন। এর মধ্যে খুলনা-৫ আসনে জাতীয় পার্টি মনোনীত একমাত্র নারী প্রার্থী শামীম আরা পারভীন ইয়াসমীন। যাচাই-বাছাইয়ে তার মনোনয়নপত্র বাতিল হলেও পরে আদালতের মাধ্যমে প্রার্থিতা ফিরে পান তিনি। ঝিনাইদহের ৪টি আসনের ২০ প্রার্থীর বিপরীতে নারী প্রার্থী দুজন। এর মধ্যে জাতীয় পার্টির মনিকা আলম ঝিনাইদহ-১ আসন ও গণফোরামের খনিয়া খানম ঝিনাইদহ-৪ আসনের প্রার্থী। মাগুরার দুটি আসনে মোট প্রার্থী ১১ জন। এর মধ্যে একমাত্র নারী প্রার্থী বাসদের শম্পা বসু। মাগুরা-১ আসনে লড়ছেন তিনি। নড়াইলের দুইটি আসনে ১৬ জন প্রার্থীর মধ্যে নারী প্রার্থী একজন। নড়াইল-২ আসনে ফরিদা ইয়াসমিন নামের ওই নারী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন। কুষ্টিয়ার ৪টি আসনে ২৫ জন প্রার্থীর মধ্যে কুষ্টিয়া-১ আসনে লড়ছেন একমাত্র নারী প্রার্থী রিপাকলিক পার্টির রুম্পা খানম।

