প্রতিদিনের ডেস্ক
আবারো সংঘাতে জড়িয়েছে পাকিস্তান ও আফগানিস্তান। পাকিস্তানের সীমান্তে সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) হামলা চালায় আফগানিস্তান। আফগানিস্তানের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হামলায় কয়েকজন পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়েছেন। এ হামলার জবাবে শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ভোরে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন গজব লিল হক’ শুরু করেছে পাকিস্তান। এ অভিযানের অংশ হিসেবে পাকিস্তানের বিমান বাহিনীর (পিএএফ) হামলায় ইতোমধ্যে কমপক্ষে ১৩৩ আফগান সেনা নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন প্রায় ২ শতাধিক।
আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের সামরিক শক্তির স্পষ্ট পার্থক্য দেখা যায়। নিচে দুই দেশের সামরিক শক্তির তুলনামূলক তথ্য তুলে ধরা হলো—
সেনাসদস্য
পাকিস্তান: প্রায় ৬ লাখ ৬০ হাজার সক্রিয় সেনাসদস্য।
আফগানিস্তান: প্রায় ১ লাখ ৭২ হাজার সেনাসদস্য।
ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান
পাকিস্তান: ৬ হাজারের বেশি সাঁজোয়া যুদ্ধযান এবং ৪ হাজার ৬০০-র বেশি আর্টিলারি।
আফগানিস্তান: কিছু সাঁজোয়া যান ও কামান রয়েছে, যার বেশিরভাগই সোভিয়েত আমলের। তবে সঠিক সংখ্যা স্পষ্ট নয়।
বিমান শক্তি
পাকিস্তান: ৪৬৫টি যুদ্ধবিমান এবং ২৬০টির বেশি হেলিকপ্টার পরিচালনা করে।
আফগানিস্তান: কোনো যুদ্ধবিমান নেই; অল্পসংখ্যক পুরোনো বিমান ও হেলিকপ্টার রয়েছে, যেগুলোর কার্যক্ষমতা অনিশ্চিত।
পারমাণবিক সক্ষমতা
পাকিস্তান: পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্র; আনুমানিক ১৭০টি ওয়ারহেড রয়েছে
আফগানিস্তান: কোনো পারমাণবিক সক্ষমতা নেই
সংখ্যার বিচারে সামরিক শক্তিতে পাকিস্তান অনেক এগিয়ে থাকলেও বাস্তব পরিস্থিতিতে ভৌগোলিক অবস্থান, কৌশল, প্রশিক্ষণ ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা

