প্রতিদিনের ডেস্ক:
এএফসি নারী এশিয়ান কাপে চীনের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রত্যাশার চেয়েও বেশি ভালো খেলেছিল। এই টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা দল এবং বর্তমান চ্যাম্পিয়ন চীনের কাছে মাত্র ২-০ গোলে হারে বাংলাদেশের মেয়েরা। তবে ওই লড়াকু পারফরম্যান্সের পরও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের নারী উইংয়ের চেয়ারপার্সন মাহফুজা আক্তার কিরণ বলেছিলেন, চীনের চেয়েও উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটি কঠিন হবে। বাস্তবে সেটিই দেখা গেলো। সিডনিতে বাংলাদেশকে ৫-০ গোলের বড় ব্যবধানে বিধ্বস্ত করলো উত্তর কোরিয়া। ম্যাচের প্রথমার্ধে ২টি এবং দ্বিতীয়ার্ধে ৩টি গোল হজম করে বাংলাদেশের মেয়েরা। তিনবারের চ্যাম্পিয়ন উত্তর কোরিয়া শক্তিশালী পারফরম্যান্স দেখিয়ে বাংলাদেশকে পরাজিত করেছে। ম্যাচের শুরুতে গোলের বেশ কয়েকটি সুযোগ পেলেও ভিএআর সিদ্ধান্তে সেগুলো বাতিল হওয়ায় কিছুটা সময় লেগেছে উত্তর কোরিয়ার খেলায় ছন্দ ফিরে পেতে। চীনের বিপক্ষে অভিষেক হওয়া গোলরক্ষক মিলি এ ম্যাচেও দুর্দান্ত খেলেছেন। সবচেয়ে বেশি ঝড়টা গেছে তার ওপর দিয়েই। তো মিলি আর কয়টা গোল ঠেকাবেন? কোরিয়ানদের একের পর এক আক্রমণে বাংলাদেশের রক্ষণ তছনছ হয়েছে। প্রথমার্ধের শেষ দিকে দুই মিনিটের ব্যবধান ২ গোল করে বিরতিতে যায় উত্তর কোরিয়া। ৬৩ ও ৬৪ মিনিটে পরপর দুই গোল হজম করেন আফঈদারা। পঞ্চম গোলটি খায় বাংলাদেশ ৯০ তম মিনিটে। দুই ম্যাচেই বাংলাদেশ গোল হজম করেছে পরপর। একটি গোল খেলে পরক্ষণেই যেন আরেকটা হজম করতে হবে। প্রথম ম্যাচে চীনের বিপক্ষে বিরতির আগে শেষ দুই মিনিটে দুই গোল খেয়েছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়েও দুই গোল হজম করেছে।
দুই ম্যাচে শূন্য পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশ টেবিলের চার দলের মধ্যে সবার নিচে। উত্তর কোরিয়ার এটি দ্বিতীয় জয়। প্রথম ম্যাচে হারা হারিয়েছিল উজবেকিস্তানের বিপক্ষে। বাংলাদেশের পরের ম্যাচ ৯ মার্চ উজবেকিস্তানের বিপক্ষে।

