৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ  । ২১শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ 

প্রতারণার অভিযোগে মহাপ্রতারক মাহমুদা জামানের বিরুদ্ধে আরো আট মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
মহাপ্রতারক মাহমুদা জামানের বিরুদ্ধে আরো ৮টি মামলা হয়েছে যশোর আদালতে। মঙ্গলবার যশোর শহরের ঘোপ সেন্ট্রাল রোডের বাবু গাজীর স্ত্রী দীপু খাতুন, পূর্ব বারান্দী পাড়ার মৃত মুজাহিদ মুন্সীর ছেলে রমজান, সদর উপজেলার চাঁদপাড়ার আব্দুল খালেকের ছেলে শুকুর আলী, হাফিজুর রহমানের ছেলে আল আমিন হোসেন, ঝুমঝুমপুরের শহিদুল ইসলামের ছেলে সাইদুর রহমান রিপন, হামিদপুরের বজলুর রহমানের ছেলে হাবিবুর রহমান, বাউলিয়া গ্রামের আইনুদ্দীন গাজীর ছেলে ইমরান হোসেন ও মোকসেদ শেখের ছেলে সোহান হোসেন বাদী হয়ে এ মামলা করেছেন। চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জাহেদ আহমদ অভিযোগগুলো নিয়মিত মামলা হিসেবে গ্রহণ করার আদেশ দিয়েছেন কোতয়ালি থানার ওসিকে। আসামি মাহমুদা জামান সদর উপজেলার বসুন্দিয়া ইউনিয়নের সদুল্যাপুর গ্রামের ডাক্তার মুনসুর আলীর মেয়ে। বর্তমানে তিনি ঢাকার লালবাগ থানার চকবাজার দ্বিগুবাগ লেনের বাসিন্দা। এর আগে জনগণ তাকে আটক করে প্রতারণার অভিযোগে মামলা দিয়েছে দিয়ে কোতোয়ালি থানায় সপর্দ করেছিল। দীপু খাতুন তার মামলায় উল্লেখ করেছেন, তাকে একটি এনজিওতে উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে দুই দফায় ৬ লাখ ৯৯ হাজার ৫শ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন মাহমুদা জামান। শুকুর আলী তার মামলায় অভিযোগ করেছেন, তাকে একটি এনজিও থেকে ৫০ লাখ টাকা লোন পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে ৬ লাখ টাকা ও ব্যাংকের ৩টি ফাঁকা চেক নিয়েছেন মাহমুদা জামান। ইমরান হোসেন মামলায় উল্লেখ করেছেন, তাকে ঢাকার ডায়মন্ড লাইফ নামে একটি এনজিওতে উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা পদে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে মাহমুদা জামান সাড়ে ৪ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। সোহান হোসেন মামলায় উল্লেখ করেছেন, তাকে একটি এনজিও থেকে ৫০ লাখ টাকা লোন পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে ৫ লাখ টাকা ও ব্যাংকের ৩টি ফাঁকা চেক নিয়েছেন মাহমুদা জামান। রমজান তার মামলায় বলেছেন, তাকে একটি এনজিও থেকে ৫০ লাখ টাকা লোন পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ২ লাখ টাকা ও ব্যাংকের ৩টি ফাঁকা চেক নিয়েছেন মাহমুদা জামান। আল আমিন হোসেন মামলায় উল্লেখ করেছেন, মাহমুদা জামান তাকে একটি এনজিও থেকে ৫০ লাখ টাকা লোন পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে নগদ সাড়ে ৫ লাখ টাকা ও ব্যাংকের ৩টি ফাঁকা চেক নিয়ে তার সাথে প্রতারণা করেছেন। সাইদুর রহমান রিপন মামলায় উল্লেখ করেছেন, তাকে একটি এনজিও থেকে ৫০ লাখ টাকা লোন পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে মাহমুদা জামান প্রতারণার মাধ্যমে ২ লাখ টাকা ও ব্যাংকের ৩টি ফাঁকা চেক নিয়েছেন। হাবিবুর রহমান মামলায় অভিযোগ করেছেন, তাকে একটি এনজিও থেকে ৫০ লাখ টাকা লোন পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে সাড়ে ৫ লাখ টাকা ও ব্যাংকের ৩টি ফাঁকা চেক নিয়েছেন মাহমুদা জামা।

আরো দেখুন

Advertisment

জনপ্রিয়