সুন্দর সাহা
বেনাপোল স্থল বন্দর থেকে শুল্ক ফাঁকি দেওয়ার জন্য ভারত থেকে আমদানিকৃত ঘোষনা বহির্ভুত বিপুল পরিমান উন্নতমানের শাড়ী আটক করেছে কাস্টমস। জাতিয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এসএসআই) এর তথ্যের ভিত্তিতে আমদানিকৃত সিনথেটিক্স ফেব্রিক্স এবং লেস এর মধ্যে থেকে ৬৭৯ পিছ উন্নত মানের ঘোষনা বহির্ভৃুত শাড়ি পাওয়া যায় বেনাপোল স্থল বন্দরের ১৯ নং শেডে । তবে আমদানি পণ্য ঘোষনা ছিল ২৬০ প্যাকেজ সিনথেটিক্স ফ্রেব্রিক্স এন্ড লেস অতিরিক্ত পাওয়া যায় ২৬৭ প্যাকেজ। যার ৮ প্যাকেজে ছিল শুধু উন্নত মানের শাড়ী। স্থলবন্দরের ১৯ নং শেড এর দায়িত্বরত শেড ইনচার্জ হোহেল রানা বলেন গত ৩১/০৩/২০২৬ ইং তারিখে ২৬০ প্যাকেজ আমদানিকৃত ফেব্রিক্স এন্ড লেস নামে ১৯ নং শেডে। যার ম্যানিফেস্ট নাম্বার ৬০১/২০২৬/০০২০০২৫/০৪ তারিখ ৩১/০৩/২৬। পণ্য চালানটির আমদানিকারক ঢাকার নুসরাত ট্রেডিং এবং সিএন্ড এফ বেনাপোলের খাজা এন্টারপ্রাইজ। কাস্টমস অদ্য ৫/০৪/২০২৬ তারিখে গননার সময় অতিরিক্ত ৭ প্যাকেজ বেশী পায়। ভারত থেকে আসা ভারতীয় ডাব্লিউ বি-২৫-ডি-১২৩৫ নং গাড়িতে আসে ১২৫ প্যাকেজ ও এন এল ০২-এন-৮৩৮৩ নং গাড়িতে আসে ২৩৫ প্যাকেজ। মোট ২৬০ প্যাকেজ পণ্য আমদানি হয়। ৭ প্যাকেজ পণ্য কি ভাবে বেশী হলো জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি বলতে পারব না। আপনি পণ্য বুঝে শেডে আনলোড করেন নাই এ প্রশ্নে তিনি নির্বাক থাকে। কোন কথা না বলে বলে পরে জানাব। তবে কাস্টমস গননা কালে ৮ প্যাকেজ ঘোষনা বহির্ভুত অতিরিক্ত পণ্য শাড়ি পেয়েছে যাতে রয়েছে ২৫০ পিছ মিডিয়াম শাড়ি এবং গর্জিয়াস ৪২৯ পিছ মোট ৬৭৯ পিছ। অপরদিকে ঘোষনা দেওয়া সিনথেটিক্স ফেব্রিক্স ১০৯ প্যাকেজে ৫৬৮৬.৫৮কেজি এবং ১৫০ প্যাকেজে ৬৯৬৭.৩৮ কেজি। কাস্টমস সুত্র জানায় প্রতি পিছ শাড়ির ডিউটি ৪০ ডলার তারপর ১২৯% ভ্যাট ট্যাক্স দিতে হয়। ওই অতিরিক্ত ঘোষনা বহির্ভুত শাড়িতে সরকারের ৭৭ লাখ ৭৪ হাজার ৫৫০ টাকা শুল্ক ফাকি দিয়ে নিয়ে যাওয়ার অসৎ উদ্দেশ্য ছিল। স্থানীয়রা জানায় এ ভাবে প্রতিনিয়ত বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে সরকারের রাজস্ব ফাকি দিয়ে পণ্য নিয়ে যায় এক শ্রেনীর অসৎ ব্যবসায়িরা। যার ফলে প্রকৃত ব্যবসায়িদের ব্যবসা করতে নানা জটিলতার মধ্যে দিয়ে ব্যবসা করতে হয়। এ দিকে খাজা এন্টারপ্রাইজের মালিক আবুল হোসেনের পেপারে কাজ করে জনৈক ইব্রাহীম তার কার্ড নং ১৩২/১৫। তাকে খুজে পাওয়া যায়নি। পণ্যটি ভারত থেকে আসার পর রিসিভ করেছেন খাজা এন্টারপ্রাইজ এর পক্ষে ইমারান হোসেন। যার কার্ড নং ৮২/২০।

