প্রতিদিনের ডেস্ক:
রোজকার রান্নাঘরের এক অবহেলিত উপাদান কলার খোসা। আমরা সাধারণত কলা খেয়ে খোসাটা ফেলে দেই, যেন এর কোনো মূল্যই নেই। কিন্তু জানলে অবাক হবেন, এই কলার খোসাই হতে পারে স্বাস্থ্যকর ও সুস্বাদু নানা পদ তৈরির দারুণ একটি উপাদান। পুষ্টিগুণে ভরপুর এই খোসা শুধু খাবারের অপচয় কমায় না, বরং নতুন স্বাদের অভিজ্ঞতাও এনে দিতে পারে।আজকের ব্যস্ত জীবনে যেখানে একদিকে খাদ্যের দাম বাড়ছে, অন্যদিকে পুষ্টিকর বিকল্পের খোঁজ চলছে, সেখানে কলার খোসা দিয়ে তৈরি বাহারি পদ হতে পারে একটি স্মার্ট ও টেকসই সমাধান। ভাজি, তরকারি, চপ কিংবা নতুন ধরনের স্ন্যাকস-সবই সম্ভব এই এক উপাদান দিয়ে। চলুন রান্নাঘরের এই ‘ফেলে দেওয়া সম্পদ’কে কাজে লাগিয়ে দেখি কীভাবে তৈরি করা যায় সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর নানা পদ।
কলার খোসার বেকন
বেকন আমিষ পদ। তবে কলার খোসা সরু করে কাটলে কিছুটা বেকনেরও মতোই দেখায়। তাই এই পদকে কলার খোসার বেকন বলা হয়। প্রথমত বেকন রান্নার জন্য কলার খোসাটি পরিষ্কার করে নিতে হবে। এরপর একটি পাত্রে পেপরিকাগুঁড়ো, স্বাদমতো লবণ, ২-৩টেবিল চামচ সাদা তেল বা অলিভ অয়েল ভাল করে মিশিয়ে কলার খোসা ৫ মিনিটের জন্য ডুবিয়ে রাখুন। তার পরে বেক করে নিন মুচমুচে হওয়ার আগ পর্যন্ত। ব্যস তৈরি হয়ে গেলো সুস্বাদু কলার খোসার বেকন।
কলার খোসার বড়া
কলার খোসার বড়া বানানোর জন্য প্রথমে পাকা কলার খোসা বড় টুকরো করে কেটে পরিষ্কার করে নিন। এবার লবণ, হলুদ, মরিচগুঁড়ো দিয়ে মাখিয়ে নিন। অন্যদিকে বেসনে আদাকুচি, কালোজিরা, মরিচগুঁড়ো, লবণ ও পানি যোগ করে পাতলা করে গুলে নিন। এবার মসলা মাখানো কলার খোসা বেসনের মিশ্রণে ডুবিয়ে ডুবো তেলে ভাজুন।
কলার খোসার চা
শুধু কলা নয়, খোসাও পুষ্টিগুণ ভরপুর। ফলে কলার খোসা দিয়ে তৈরি ভেষজ চা স্বাস্থ্যর জন্য বেশ উপকারী। এই চা বানানোর জন্য প্রথমেই কলার খোসা ভালো করে পরিষ্কার করে নিন। এরপর টুকরো করা কলার খোসা অল্প আচেঁ ৫ মিনিট ফুটিয়ে নিন। সবশেষে পানি ছেঁকে চায়ের মতো পান করুন।

