৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ  । ২০শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ 

শেয়ারবাজার কারসাজি সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ২৭ জুলাই

প্রতিদিনের ডেস্ক:
অবৈধভাবে শেয়ারবাজারে মুনাফা অর্জন, অর্থ আত্মসাৎ ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৭ জুলাই দিন ধার্য করেছেন আদালত।বুধবার (২০ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।এদিন মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন ধার্য ছিল। তবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) নির্ধারিত সময়ে প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।দুদকের প্রসিকিউশন বিভাগের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।এর আগে, গত বছরের ১৭ মে দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। পরে ১৬ জুন আদালত সাকিব আল হাসানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।মামলার অন্য আসামিরা হলেন—সমবায় অধিদপ্তরের উপ-নিবন্ধক আবুল খায়ের, তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাদবর, কনিকা আফরোজ, মোহাম্মদ বাশার, সাজেদ মাদবর, আলেয়া বেগম, কাজী ফুয়াদ হাসান, কাজী ফরিদ হাসান, জাভেদ এ মতিন, জাহেদ কামাল, হুমায়ূন কবির ও তানভির নিজাম।মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্তরা নিজেদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স) অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে সংঘবদ্ধভাবে শেয়ারবাজারে কারসাজিতে জড়িত ছিলেন। তারা নির্দিষ্ট কিছু শেয়ারে ধারাবাহিক কেনাবেচার মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে দাম বাড়িয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগে আকৃষ্ট করতেন।অভিযোগে বলা হয়, প্রতারণামূলক এ লেনদেনের মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন এবং অভিযুক্ত চক্রটি ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ৩০৪ টাকার বেশি অর্থ আত্মসাৎ করে।এজাহারে আরও বলা হয়েছে, আবুল খায়ের ওরফে হিরু শেয়ারবাজার থেকে অর্জিত অর্থের মধ্যে ২৯ কোটি ৯৪ লাখ ৪২ হাজার ১৮৫ টাকা তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসানের সহায়তায় বিভিন্ন খাতে স্থানান্তর করে মানিলন্ডারিং করেন। তার নামে থাকা ১৭টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৫৪২ কোটি টাকার বেশি সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্যও তদন্তে উঠে এসেছে।দুদকের ভাষ্য অনুযায়ী, হিরুর কারসাজির সঙ্গে যুক্ত প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স ও সোনালী পেপারসের শেয়ারে বিনিয়োগ করেছিলেন সাকিব আল হাসান। এর মাধ্যমে তিনি বাজার কারসাজিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন এবং প্রায় ২ কোটি ৯৫ লাখ টাকার বেশি অর্থ ‘রিয়ালাইজড ক্যাপিটাল গেইন’ হিসেবে উত্তোলন করেন, যা দুদকের দাবি অনুযায়ী অপরাধলব্ধ আয়।

আরো দেখুন

Advertisment

জনপ্রিয়