শামীম হাসান সুজন, শরণখোলা
গাছের সাথে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে হিমাংশু হালদার (৭২)। এই ঘটনাটি ঘটে শরণখোলা উপজেলার ১ ধানসাগর ইউনিয়নের ৭ নং রতিয়া রাজাপুর ওয়ার্ডের হিমাংসু হালদারের নিজের বাড়িতে। হিমাংশু হালদারের স্ত্রী প্রভাতী রানী বলেন আজ দুপুরের খাবার খেয়ে একসাথে শুয়ে ছিলেন। আমি ঘুমিয়ে পড়লে কিছুক্ষণ পর উঠে দেখি আমার স্বামী হিমাংশু হালদার পাশে নেই। তখন আমি তাকে খোঁজাখুঁজি করি। খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে বাড়ির পিছনের দিকে খুজতে গেলে গাব গাছের সাথে গলায় দড়ি দেওয়া অবস্থায় ঝুলতে দেখি। তখন চিৎকার করলে আশেপাশের লোকজন ছুটে আসে। হিমাংশু হাওলাদারের এক ছেলে তিন মেয়ে। হিমাংশু হালদারের একমাত্র ছেলে জয়ন্ত হালদার বলেন আমার বাবা হিমাংসু হালদারের দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যা ছিল। তিনি ডায়াবেটিস উচ্চ রক্তচাপ সহ বিভিন্ন রোগের সমস্যা ছিল। এর আগেও ঋণের দায় আত্মহত্যা করতে চেয়েছিল। আজ দুপুরে দুপুরের খাবার খেয়ে আমি বাসা থেকে বের হয়ে যাই। কিছু সময় পর আমার মা আমাকে খবর দিলে আমি বাড়িতে এসে দেখি আমার বাবা গাব গাছের সাথে গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলে আছে। শরণখোলা থানায় জানানো শরণখোলা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শহীদুল্লাহ দ্রুত ঘটনাস্থলে শরণখোলা থানার সাব ইন্সপেক্টর চিন্ময় মন্ডলকে পুলিশ সদস্যদের সাথে নিয়ে ঘটনাস্থলে পাঠান। শরণখোলা থানার সাব-ইন্সপেক্টর চিন্ময় মন্ডল বললেন সুরতলহাল রিপোর্ট শেষে পরিবারের অভিযোগ না থাকায় ধর্মীয় মোতাবেক হিমাংশু হালদারের মৃতঃ দেহের সৎকারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

