নিজস্ব প্রতিবেদক
৪৪ ভারতীয় চোরাই মোবাইলকান্ডে ঝিকরগাছার দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে যশোর পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে। এরা হলেন, ঝিকরগাছা থানার এসআই রাজু ও এএসআই ওয়ালিদ। নাভারণ পুরাতন বাজারের ইলেকট্রনিক্স ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলামের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে চোরাই ছেড়ে দেয়ায় তাদের বিরুদ্ধে এ ব্যাবস্থা নিয়েছেন পুলিশের উর্ধ্বতন কৃতপক্ষ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ছিকরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মতকর্তা নূর মোহাম্মদ গাজী। জানা গেছে, গত ১৫ আগস্ট ঝিকরগাছার নাভারন পুরাতন বাজারের ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলামের দোকানে অভিযান চালায় শার্শা ও ঝিকরগাছা থানা পুলিশ। এ সময় দোকানে তল্লাশি করে ৫৩টি ভারতীয় চোরাই মোবাইল ফোন উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয় নেতা লেন্টু হাজীর মধ্যস্থতায় পুলিশ মোটা অংকের টাকা ও দুইটি ফোন নিয়ে সাইফুলকে ছেড়ে দেয় এবং উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোন ফিরিয়ে দিয়ে যায়। এ ব্যাপারে ঝিকরগাছা ও শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে সাংবাদিকরা অভিযানে ব্যাপারে খোঁজখবর নিয়ে তারা বিষয়টি অস্বীকার করেছিলেন। গত রোবাবার দুপুরে যশোরের অতিরিক্তি পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে ডিবি পুলিশ ঝিকরগাছার নাভারণ পুরাতন বাজারের সাইফুলের মোবাইলের দোকানে অভিযান চালান। এ সময় সাইফুল ইসলামকে আটক ও তার স্বীকারোক্তিতে বাড়ি থেকে বিভিন্ন ব্যান্ডের ৪৪ টি ভারতীয় চোরাই মোবাইল ফোন ফোন উদ্ধার করা হয়। আটক সাইফুল ইসলামকে আদালতে সোপর্দ করা হলে ভারতীয় চোরই ফোন বিক্রি কথা স্বীকারে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে। পরবর্তীতে পুলিশের উর্ধ্বতন কতৃপক্ষ ওই এলাকার বিট কর্মকর্তা হিসেবে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ ও স্থানীয়দের বক্তব্যে ঘটনার সত্যতা পেয়ে ওই দুই কর্মকর্তাকে পুলিশ লাইলে সংযুক্ত করেছেন।

