আনিছুর রহমান, বেনাপোল
খেলাধুলা, চিত্তবিনোদন ও সংস্কৃতি চর্চার সুযোগ সৃষ্টি এবং মাঠ রক্ষনাবেক্ষনের দায়িত্ব পৌরসভার ওপর ন্যাস্ত। সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে পৌর কর্তৃপক্ষ মাঠ দখলমুক্ত রাখা,ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সকলের জন্য উন্মুক্ত রাখা। বেনাপোল পৌরসভায় নির্বাচিত মেয়র না থাকায় এখানে খেলাধুলা ও মাদক নির্মুলের কোন ব্যবস্থা বর্তমানে নেই। এসকল বিষয় নিয়ে এক মত বিনিময় সভা হয়। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারী) দুপুর ১২ টার সময় বেনাপোল মাঠ খেলাধুলার অনুপযোগি এবং সামাজিক কোন কার্যকলাপে পৌরকর্তৃপক্ষর কোন কার্যক্রম না থাকায় স্থানীয় ক্রীড়া প্রেমী ও সাংবাদিকদের সাথে এই মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। মতবিনিময় অনুষ্টানে বক্তারা বলেন, নির্বাচিত মেয়র থাকাকালে এখানে খেলার মাঠ ভাল ছিল। মাঠকে সমতল রাখার জন্য মাঠে মাটি ভরাট করা হতো। এছাড়া এখান থেকে ভাল ভলিবল, ক্রীকেটার, ফুটবলার তৈরী করার জন্য প্রশিক্ষন এর ব্যবস্থাও ছিল। সেখানে প্রশিক্ষক রাখা ছিল। বর্তমানে খুবই অচল অবস্থা। পৌরসভা সমাজের একটি সংগঠন। সমাজকে উন্নয়ন করা পৌরসভার কাজ। একজন নির্বাচিত মেয়র তার ইচ্ছার উপর অনেক কাজ করতে পারে পৌরসভা উন্নয়নের জন্য । বর্তামানে দেখা যাচ্ছে পৌরসভার মাঠ খেলাধুলার জন্য পৌরসভা কর্তৃপক্ষের অন্তত মাসে ৫০ হাজার টাকা খরচ করা প্রয়োজন। অথচ এই পৌরসভার বসবাসরত মানুষের ট্যাক্সে চলছে পৌরসভা। এ বিষয়টি আমাদের সকলের ভেবে দেখে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বেনাপোল পৌর প্রশাসককে অবহিত করতে হবে। তারা আরো বলেন, এই পৌরসভার ছেলে মেয়েদের মাদকমুক্ত এবং খেলাধুলার পরিবেশে ফিরিয়ে আনতে আমরাও মাসে নিজেরা সামাজিক ভাবে ব্যবসায়িরা মাসে ৪০/৫০ হাজার টাকা খরচ করতে পারি। আবার অনেকে তার বাবার নামে একাডেমি খুলেও সেখানে ছেলে মেয়েদের খেলাধুলা সহ নানা কাজে প্রশিক্ষন দিতে পারে। এসময় উপস্থিত ছিলেন, শার্শা উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মোস্তাফিজ্জোহা সেলিম, বেনাপোল পৌর যুবদলের আহবায়ক মফিজুর রহমান বাবু, সদস্য সচিব রায়হানুজ্জামান দিপু, বেনাপোল পৌর ছাত্রদলের আহাবায়ক আরিফুল ইসলাম, কৃষকদলের সভাপতি জসিম উদ্দিন ও সাধারন সম্পাদক জামাল হোসেন প্রমুখ।

